ঢাকা ৩১ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি কর না বাড়িয়ে ​ ডিএসসিসির ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা দুই কোটি টাকার সরকারি মাল বিক্রি করে ভাগাভাগি, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেস্টা সিলেটে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগমুক্ত রাখা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হলো মানবপাচারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চেক ডিজঅনার মামলার উদ্দেশ্য অর্থ আদায়, কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অর্থায়ন করতে চায় চীনের ৩ প্রতিষ্ঠান প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানে ১৬০ কোটি ডলারের করোনা টিকা ধ্বংস

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৯ মার্চ, ২০২৩,  11:01 AM

news image

জাপানে বিপুল পরিমাণ করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা ধ্বংস করা হয়েছে। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১৬০ কোটি ডলারের ৭ কোটি ৭৮ লাখ টিকা ধ্বংস করা হয়। মূলত মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার কারণেই এসব টিকা ধ্বংস করে ফেলতে হয়েছে। ধ্বংস করা টিকা জাপানের কেনা মোট টিকার ৯ শতাংশ। এখন জাপানের কাছে টিকার যে মজুদ আছে, তার অনেকাংশই মেয়াদোত্তীর্ণের পথে। ফলে ধ্বংসের এ প্রক্রিয়া আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকবে। টিকা ধ্বংসের এ তথ্য সরাসরি জাপান সরকার না দিলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে স্থানীয় সরকারগুলোর তথ্য সন্নিবেশ করে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে জাপানি সংবাদ সংস্থা মাইনিচি। বিপুল পরিমাণ টিকা কেন মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেল,

তা তদন্ত করে দেখতে আহ্বান জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি টিকা কত দামে কেনা হয়েছে, সে তথ্য প্রকাশ করেনি সরকার। এর আগে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় ইঙ্গিতে জানিয়েছিল, প্রতিটি টিকা কিনতে আনুমানিক ২০ দশমিক ৭০ ডলার ব্যয় হয়েছে। সে হিসেবেই মাইনিচি ধ্বংস করা টিকার দাম বের করেছে। জানা গেছে, জাপান সরকার ৩৯ কোটি ৯০ লাখ ফাইজারের টিকা, ২১ কোটি ৩০ লাখ ডোজ মডার্নার, ১২ কোটি অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং ১৫ কোটি ডোজ নোভারাক্সের টিকা কিনেছে। টিকা ধ্বংসের মূল কারণ হিসেবে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে মাইনিচির অনুসন্ধান বলছে, মডার্নার কিছু টিকার চালান এমন সময়ে জাপানে এসেছে, সেগুলোর আর অল্প কিছুদিন মেয়াদ ছিল। ফলে দ্রুত ব্যবহারের পরেও অনেক টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সূত্র: মাইনিচি

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম