ঢাকা ১৭ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম ও উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু ২৩২ রানে অলআউট পাকিস্তান, বাংলাদেশের লিড ৪৬ ভিসি ইস্যুতে ডুয়েট রণক্ষেত্র, আহত ১৫ ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট সৌদি পৌঁছেছেন ৫৯ হাজারের বেশি হজযাত্রী ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর! জঙ্গল সলিমপুরে নির্মাণ হবে দেশের অত্যাধুনিক কারাগার ঢাকায় ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড, বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা শীর্ষ ১০ ডিজিটাল অর্থনীতির দেশ হতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হটস্পট ৩০ উপজেলায় কমেছে হাম সংক্রমণ

ছিনতাই হওয়া বাংলাদেশি জাহাজ নেয়া হয়েছে সোমালিয়ায়

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৩ মার্চ, ২০২৪,  10:52 AM

news image

ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের কবলেপড়া বাংলাদেশি জাহাজটি সোমালিয়া উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এমভি আবদুল্লাহ নামে কয়লাবাহী জাহাজটিতে থাকা ২৩ নাবিককে জিম্মি করেছে দস্যুরা। বাঁচার আকুতি জানিয়ে অডিও বার্তা দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে এমভি আবদুল্লাহ সোমালীয় জলদস্যুদের কবলে পড়ে। এরপর অন্তত ১০০ জলদস্যু জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। বর্তমানে ২৩ নাবিককে কেবিনে রাখা হয়েছে। জাহাজে থাকা এক নাবিক জানান, প্রায় শতাধিক জলদস্যু ছোট ছোট বোটে করে প্রথমে জাহাজটিকে ঘিরে ফেলে। পরেতারা সশস্ত্র অবস্থায় জাহাজে উঠে এর নিয়ন্ত্রণ নেয়। এ সময় নাবিক ও ক্রুদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে জলদস্যুরা কোনো নাবিকের ওপর হামলা চালায়নি। জানা যায়, জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়েই জলদস্যুরা সেটিকে সোমালিয়ার উপকূলের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। বর্তমানে জাহাজটি সোমালিয়ার বন্দরে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন জাহাজটির এক নাবিক। এম ভি আবদুল্লাহ জাহাজটি এস আর শিপিংয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছিল। আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে দুবাই আসছিল পণ্যবাহী জাহাজটি। মালিকপক্ষ জিম্মি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাবিকদের ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। এর আগে, ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর আরব সাগরেই সোমালীয় জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল একই প্রতিষ্ঠানের এমভি জাহানমণি নামে অন্য একটি জাহাজ। জাহাজের ২৫ বাংলাদেশি নাবিকের পাশাপাশি ক্যাপ্টেনের স্ত্রীসহ ২৬ জনকে ১০০ দিন জিম্মি করে রেখেছিল সোমালিয়ান জলদস্যুরা। পরবর্তীতে নানা প্রক্রিয়ায় ২০১১ সালের ১৪ মার্চ জিম্মিদের মুক্তি দেয়া হয়। ১৫ মার্চ তারা বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম