ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হলেন ৪০ কর্মকর্তা ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ করার প্রতিশ্রুতি গণতন্ত্রের উত্তরণে বাধা দিলে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে: সালাহউদ্দিন রাজশাহীতে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান ৭১ নিয়ে আগে মাফ চান, পরে ভোট চান: মির্জা ফখরুল আমরা আর কাউকেই টানাটানি করার সুযোগ দেব না: জামায়াত আমির সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা চলছে: গভর্নর সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে নির্বাচনে স্বচ্ছতা থাকবে: সিইসি বঙ্গোপসাগরে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া দিতে যাচ্ছে ভারত বিএনপির বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী কায়দায় অপপ্রচার চলছে: মাহদী আমিন

চীনে সীসা বিষক্রিয়ায় অসুস্থ ২৩৩ শিশু

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ জুলাই, ২০২৫,  11:29 AM

news image

চীনে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি স্কুলে খাবারে অনুপযুক্ত রং ব্যবহার করায় সীসা বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে দুই শতাধিক শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। গানসু প্রদেশের তিয়ানশুই শহরের পেইজিন কিন্ডারগার্টেনে ঘটেছে এ ঘটনা।  খাবারের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এতে সীসার মাত্রা ছিল জাতীয় নিরাপত্তা মানের চেয়ে দুই হাজার গুণ বেশি। এ ঘটনায় কিন্ডারগার্টনটির অধ্যক্ষসহ আটজনকে আটক করেছে পুলিশ। স্টিমড রেড ডেট কেক ও সসেজ কর্ন বান খাওয়ার পর ২৩৩ শিক্ষার্থীর রক্ত পরীক্ষা করে উচ্চ মাত্রায় সীসা পাওয়া গেছে। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্কুলের অধ্যক্ষ রান্নার কর্মীদের অনলাইনে রং কিনতে বলেছিলেন। শিশুরা অসুস্থ হওয়ার পর সেগুলো লুকিয়ে ফেলা হয়। পরে পুলিশ তা খুঁজে বের করে দেখে, রংগুলো স্পষ্টভাবে খাওয়ার অনুপুযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা ছিল। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রান্নাঘরের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করেছে, এতে কর্মীদেরকে খাবারে রং মেশাতে দেখা গেছে। তদন্তকারীরা দেখতে পেয়েছেন, খেজুরের লাল কেক (রেড ডেট কেক) ও সসেজ কর্ন বানে প্রতি কেজিতে ১ হাজার ৫২ মিলিগ্রাম এবং ১ হাজার ৩৪০ মিলিগ্রাম করে সীসা পাওয়া গেছে। অথচ চীনে খাবারের জাতীয় মানদণ্ড অনুযায়ী, সীসার নিরাপদ মাত্রা প্রতি কেজিতে মাত্র ০ দশমিক ৫ মিলিগ্রাম। বিষাক্ত ও ক্ষতিকারক খাবার উৎপাদনের সন্দেহে এখন কিন্ডারগার্টেনটির অধ্যক্ষ এবং অন্য ৭ জনের পাশাপাশি প্রধান বিনিয়োগকারীর বিরুদ্ধেও তদন্ত চলবে। কতদিন ধরে এ ধরনের রঙ খাবারে ব্যবহার করা হচ্ছিল তা জানা যায়নি। তবে বেশ কয়েকজন অভিভাবক চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন, গত মার্চ মাস থেকেই শিশুরা পেটব্যথা, পা ব্যথা এবং ক্ষুধামান্দ্যের কথা বলে আসছিল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিভাবকরা উদ্বেগ প্রকাশ করার পর এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তিয়ানশুই শহরের মেয়র লিউ লিজিয়াং বলেছেন, এ ঘটনা জনখাদ্য নিরাপত্তা দেখভালে ত্রুটি ও ফাঁকফোঁকরকেই সামনে নিয়ে এসেছে। শহরের মানুষের উচিত এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া। সূত্র - বিবিসি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম