ঢাকা ১৩ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু টানা বৃষ্টিতে গুলশান লিংক রোডে ধস, চরম ভোগান্তি বন্যায় প্রাণহানির জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন দায়ী: রিজভী ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন সাদিক কায়েম এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর নিয়োগ শিগগিরই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহেশপুর সীমান্তে ১৪ বিজিবির অভিযানে ৭৫ বোতল ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজারের বেশি মৃত্যু বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি, নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

ক্যানসার ইনজেকশন চালু করল ভারত, প্রতি ডোজের দাম কত

#

১৮ মে, ২০২৬,  1:56 PM

news image

ভারতে ফুসফুসের ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন ধরনের ৭ মিনিটের ইনজেকশন চালু করেছে রোশ ফার্মা ইন্ডিয়া। ‘টিসেন্ট্রিক’ নামের এই ইনজেকশনটি বিশেষভাবে নন-স্মল সেল লাং ক্যানসার রোগীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। খবর এনডিটিভির।

প্রচলিত ইমিউনোথেরাপিতে রোগীদের হাসপাতালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্যালাইনের মাধ্যমে ওষুধ নিতে হয়। তবে নতুন এই ইনজেকশন ত্বকের নিচে প্রয়োগ করা হয়। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে সময় লাগে মাত্র সাত মিনিট।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে রোগীদের ভোগান্তি কমবে এবং হাসপাতালে চাপও কমবে। বিশেষ করে বয়স্ক রোগী ও দূর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের জন্য এটি সুবিধাজনক হতে পারে।

এই চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের নাম অ্যাটেজোলিজুম্যাব। এটি পিডি-এল১ নামের একটি প্রোটিনকে ব্লক করে কাজ করে। সাধারণত ক্যানসার কোষ এই প্রোটিন ব্যবহার করে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার আড়ালে লুকিয়ে থাকে। প্রোটিনটি বন্ধ হয়ে গেলে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্যানসার কোষ শনাক্ত করে আক্রমণ করতে পারে।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, যেসব রোগীর টিউমারে পিডি-এল১-এর মাত্রা বেশি, তারা এই চিকিৎসা থেকে বেশি উপকার পেতে পারেন। ধারণা করা হচ্ছে, নন-স্মল সেল লাং ক্যানসারে আক্রান্ত প্রায় অর্ধেক রোগী এ চিকিৎসার উপযোগী হতে পারেন।

তবে নতুন এই চিকিৎসার বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এর উচ্চ খরচ। প্রতি ডোজের দাম প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার ভারতীয় রুপি। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে ছয়টি পর্যন্ত ডোজ প্রয়োজন হতে পারে। ফলে পুরো চিকিৎসা ব্যয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

খরচ কমাতে রোশ ফার্মা ‘ব্লু ট্রি’ নামে একটি সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। এছাড়া ওষুধটি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্প সিজিএইচএসের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে কিছু রোগী আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।

চিকিৎসকেরা বলছেন, ব্যয়বহুল হলেও দ্রুত চিকিৎসা, কম সময় হাসপাতালে থাকা এবং তুলনামূলক কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে এই প্রযুক্তিকে ক্যানসার চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম