ঢাকা ৩১ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি কর না বাড়িয়ে ​ ডিএসসিসির ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা দুই কোটি টাকার সরকারি মাল বিক্রি করে ভাগাভাগি, বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেস্টা সিলেটে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগমুক্ত রাখা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হলো মানবপাচারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চেক ডিজঅনার মামলার উদ্দেশ্য অর্থ আদায়, কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অর্থায়ন করতে চায় চীনের ৩ প্রতিষ্ঠান প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে নিখোঁজের ৭ দিন পর নারীর মরদেহ উদ্ধার

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৬ জুন, ২০২৪,  10:50 AM

news image

কুড়িগ্রামের তিস্তা নদীতে নৌকাডু‌বির সাতদিন পর নিখোঁজ ৫ জনের মধ্যে রুপালী নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছে ৩ শিশুসহ ৪ জন। মঙ্গলবার বিকেলে বজরা ইউনিয়নের চর বজরা দক্ষিণ শাহাবুদ্দিনের ঘাটের পশ্চিম তীরে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই নারীর মরদেহটি দেখতে পান। পরে তারা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন। বুধবার (২৬ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উলিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ১৯ জুন সন্ধ্যা ৭টায় উলিপুর উপ‌জেলার বজরা ইউনিয়‌নের সাদুয়া দামারহাট এলাকায় ২৫ যাত্রী নিয়ে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত একটি নৌকা ডুবে যায়। নৌকাটি দাওয়াত খাওয়ার জন্য পুরাতন বজরা ঘাট থেকে গাইবান্দার সুন্দরগঞ্জ উপ‌জেলার বেলকায় যাচ্ছি‌ল। তিস্তার তীব্র স্রোতের কারণে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এ সময় তীরবর্তী মানুষজনের সহায়তায় ১৮ জন সাতরে তীরে উঠলেও নিখোঁজ হন সাত যাত্রী। যদিও নৌকাডুবির কিছু সময় পর ওই দিনই ঘটনাস্থলের কাছেই এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার ৪ দিন পর কুলসুম নামের আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনও নিখোঁজের তালিকায় আনিছুর রহমান (৩৫) ও তার মেয়ে আইরিন (১০), এ ছাড়া ইরামনি (১০) ও শামিম (৮) নামে দুই শিশুর নাম রয়েছে। এ বিষয়ে ওসি গোলাম মর্তুজা, ‘তিস্তা নদীতে নৌকাডু‌বির সাতদিন পর নিখোঁজ ৫ জনের মধ্যে রুপালী নামে এক নারীর মরদেহ আমরা স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করেছি। বাকি ৪ জনের মরদেহের সন্ধান আমরা এখনও পাইনি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম