ঢাকা ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম ও উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু এইচএসসির ফল প্রকাশ ৩১ অক্টোবর আইনজীবী তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে কখনও পিছপা হয়নি যুবদল: রিজভী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে মবের শিকার হবেন না: তথ্য উপদেষ্টা ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন

কিলার আব্বাসের সহযোগী রাজীব চৌধুরীর বিচার দাবী

#

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪,  1:53 AM

news image

আলম হোসেন : বিগত পনের বছর যাবৎ দেশে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, খুন, রাহাজানী, হত্যা, লুটপাট, ধর্ষণ ছিল দেশের স্বাভাকিক পরিস্থিতি। এ পরিস্থিতিকে কোন রকম মানিয়ে নিজের জীবন বাঁচিয়ে বিগত সরকারের আমলের তথাকথিত আওয়ামী নেতা দের সাথে মানিয়ে চলতে হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। না পেরেছে কাউকে বলতে না পেরেছে সইতে। চাঁদাবাজী, দখলবাজী এ ছিল বিগত স্বৈরাচার সরকারের নেতাদের মূখ্য হাতিয়ার এর ই ধারাবাহিকতার কথিত এক সন্ত্রাসী রাজবি চৌধুরী যার উত্থান হয়েছিল স্বৈরাচার হাসিনার আমলে। মিরপুর এলাকায় খুন, জমি দখল, জুট ব্যাবসা, গুম অনৈতিক কর্মকান্ড হতে সব ধরনের অপকরের্মর সাথে জড়িত ছিলেন সন্ত্রাসী গডফাদার রাজীব চৌধুরী। মুক্তখবরের অনুসন্ধানে জানা গেছে যে, রাজধানীর ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর অন্যতম ছিলেন কিলার আব্বাস। কিলার আব্বাসের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১২টি মামলার কথা জানা গেছে তিনি ১৯ বছর ধরে বন্দী কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে। আর এ আব্বাসের অন্যতম সহযোগী ছিলেন সন্ত্রাসী গড ফাদার রাজীব চৌধুরী। বৈষম্যকারী ছাত্র আন্দোলনে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর সাথে মিরপুর ১০নং গোল চত্তরে আন্দোলনরত ছাত্রদের হয়রানী আন্দোলনে বাধা এবং পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছে এ রাজীব চৌধুরী। এ ছাড়া ও ৩ আগষ্ট ২০২৪ ইং তারিখে মিরপুর ১০ নং গোল চত্তরে রাজীব চৌধুরীর নেতৃত্বে টুকুর ছেলে জিসান কাদির মাহমুদ, ইমু কাশেমের ছেলে ও মিজান সোহাগ, মানিক কিরণ ফেরদৌস রাশেদ রিপন রাজীব বৈষম্যকারী ছাত্রদের উপর গুলি করে। অনুষন্ধানে আরো জানা যায় যে, ১৯৯৫-১৯৯৬ ইং তে এ রাজিব মিরপুর একটি স্থানীয় ভিডিও দোকানে ৩০০ টাকা বেতনে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন এ রাজিবকে তখন এলাকাবাসী চন্দ্রা বাবু দাঁতভাঙ্গা বাবু নামে চিনতেন। এরপর তার সাথে কিলার আব্বাসের পরিচয় হয়। কিলার আব্বাস বিভিন্ন মামলার কারনে যখন আত্ম গোপনে যান ঠিক তখনেই সুযোগে সৎ ব্যবহার করেন রাতারাতি হয়ে যান রাজিব চৌধুরী। সাথে সাথেই তিনি কিলার আব্বাসের উপদেষ্টা হয়ে তার যাবতীয় কিছু নিজ নিয়ন্ত্রণে আনেন। সকল প্রকারের চাঁদাবজীর স্পট ও প্রতি বছরের কচুক্ষেত বাজারের গরুর হাট ও তার নিয়ন্ত্রণে চলে আছে। অনুষন্ধানে আরো উঠে আসে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৬-১৭ বছর সে বিভিন্ন মন্ত্রী ও বিজিএমই এর দোহাই দিয়ে মিরপুরের যত গার্মেন্টস আছে সব কয়টা গার্মেন্টসে নিরবে কিলার আব্বাসের নামের উপরে চাঁদাবাজি জুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে গডফাদার রাজিব চৌধুরি। সম্প্রতি মিরপুরের সর্ব স্তরের জনগন গডফাদার রাজিব চৌধুরির গ্রেফতার ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মিছিল মানব বন্ধন ও পোষ্টার, লিফলট বিতরন করেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম