ঢাকা ০৬ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকায় মহাসমাবেশসহ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করলো ১১ দলীয় ঐক্য কাদের-সাদ্দামের কল রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে আড়িয়ল বিলের পাঁচ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ভারি বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ১০ জেলায় বন্যার শঙ্কা জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ মৃত্যু সরকারকে ব্যর্থ করতে একটি দল চক্রান্ত চালাচ্ছে: রিজভী যমুনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি, হুমকিতে বহু পরিবার দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হাতিয়ায় স্মার্ট ও মানসম্পন্ন শিক্ষার রূপান্তরে মাউশির একগুচ্ছ উদ্যোগ

কাদের-সাদ্দামের কল রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ আগস্ট, ২০২৬,  2:00 PM

news image

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের একটি ফোনালাপ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় প্রসিকিউশন কল রেকর্ডটি দাখিল করে।

প্রসিকিউশনের দাবি, ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই ওবায়দুল কাদের তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানকে ফোন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন।

ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত কল রেকর্ডে শোনা যায়, আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ও কর্মসূচির বিষয়ে সাদ্দামের কাছ থেকে তথ্য নেন ওবায়দুল কাদের। একপর্যায়ে তিনি বলেন, “মারো না কেন? মারো না কেন ওদের?” জবাবে সাদ্দাম পুলিশি অবস্থানের কথা উল্লেখ করলে কাদের আবার বলেন, তা মারতেছ না কেন? নিচ থেকে হালকা হয়ে যাবে তো।

কল রেকর্ডে সাদ্দাম হোসেনকে বলতে শোনা যায়, তারা রাজনৈতিকভাবে আন্দোলনকারীদের মোকাবিলা করতে চাইলেও পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশে শাহবাগ বা আন্দোলনস্থলের দিকে যেতে পারেননি। পরে ওবায়দুল কাদের জানতে চান, কে এ নির্দেশ দিয়েছেন। জবাবে বলা হয়, পুলিশ ও “বিপ্লব দা” তাদের ওই নির্দেশ দিয়েছিলেন। তখন কাদের বলেন, “বিপ্লব তো এইটা বলার কথা না।”এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান আসামি।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক। তাদের অনুপস্থিতিতেই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলছে।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৮ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম