ঢাকা ২৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আসামি গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তার দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বে সিলেটে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির বেতন-ভাতার বাইরে রয়েছে যেসব রাষ্ট্রীয় সুবিধা চিকিৎসা নিতে ভারতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন সাজু, কলকাতায় রেবতীর শেষকৃত্য ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পাকিস্তানে বাড়ছে নারী ধূমপায়ী

কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কাঁদলেন শাজাহান খান

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ মার্চ, ২০২৫,  2:03 PM

news image

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডায় রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নিহতের মামলায় রিমান্ড শুনানিতে আদালতে নেয়া হয় সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খানকে। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বড় ছেলে আসিবুর রহমান খানের সঙ্গে তার পাঁচ মাস দেখা নেই, এ কথা বলতে বলতে কাঁদতে থাকেন তিনি। সোমবার (১৭ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালতে শুনানি চলাকালে কাঁদেন তিনি। এদিন সকাল ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে শাজাহান খানকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়। তখন তিনি আইনজীবীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ করেন। পরে তার উপস্থিতিতে ১০টা ৮ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে তার আইনজীবী মিজানুর রহমান বাদশা বলেন, শাজাহান খান আটবারের সংসদ সদস্য ও দুইবারের মন্ত্রী ছিলেন। তিনি ঐতিহ্যগতভাবে রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান৷ এর আগে তাকে দুইবার রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। রিমান্ডে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার বয়স ৭৬ বছর। রোজার মধ্যে রিমান্ডে নিলে হয়রানি হবে, ফের অসুস্থ হয়ে পড়বেন। তাই রিমান্ড নামঞ্জুর করা হোক। রিমান্ড শুনানি চলাকালে ১০টা ২৭ মিনিটে শাজাহান খান বলেন, মাননীয় আদালত আমি কথা বলতে চাই। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন তিনি। এসময় তিনি বলেন, ‘আমি জড়িত না। কেন এই মামলা হলো? শুধু আমার বিরুদ্ধে না, আমার বড় ছেলে আসিবুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। তখন কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে পাঁচ মাস আমার দেখা নেই।’ তখন বিচারক বলেন, আপনার বিষয়ে আইনজীবী কথা বলেছেন।  তবুও শাজাহান খান দুই হাত জোর করে কথা বলার জন্য সময় চান। তিনি বিচারকের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমার কথা শুনতে হবে, আমাকে একটু সময় দেন। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলা দেওয়া হয়েছে। এসময় তিনি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে টিস্যু দিয়ে দুই চোখ মুছতে থাকেন। শুনানি শেষে বাড্ডা থানার রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে ১০ টা ৪০ মিনিটে হেলমেট, বুলেট প্রুফ জ্যাকেট ও হাতকড়া পরিয়ে আদালত থেকে তাকে বের করা হয়। হাজতখানায় নেওয়ার সময় শাজাহান খান বলেন, ‘পুলিশ বলছে কথা বলা নিষেধ। এটা গণতান্ত্রিক দেশ। আমি সারাজীবন কথা বলে এসেছি, কথা বলেই যাবো।’

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম