ঢাকা ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
লক্ষ্মীপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে তিন দিনের বার্ষিক সুন্নি এস্তেমা ভোটকেন্দ্র দখল করলে একজনও বাড়ি ফিরতে পারবেন না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি, এর দায়িত্ব আপনাদের সঁপে দিলাম: তারেক রহমান জামায়াতের মুখে একটা, আর গোপনে বৈঠক করে ভারতের সঙ্গে: চরমোনাই পীর ভুটানের জালে ১১ গোল দিয়ে সাফে উড়ন্ত সূচনা বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: আইসিসি-বাংলাদেশ দ্বন্দ্বে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল শ্রীলঙ্কা ৭০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরাইল বগুড়ায় জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান বিএনপি সরকারে গেলে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেবে: মাহদী আমিন স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় : মির্জা ফখরুল

কলকাতায় অ্যাডিনোভাইরাসে আরেক শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  11:51 AM

news image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অ্যাডিনোভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নয় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কলকাতার বিধান চন্দ্র রায় (বি সি রায়) শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশু মারা যায়। হাসপাতালের দেওয়া ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় অ্যাডিনোভাইরাসের। চলতি মাসের ২ তারিখে হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরের বাসিন্দা স্বপন রায় এবং লক্ষ্মী রায়ের ৯ মাসের শিশুকন্যাকে জ্বর নিয়ে কলকাতার ফুলবাগানের বি সি রায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১১ ফেব্রুয়ারি সুস্থ হলে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাড়ি ফেরার পর আবারও তার জ্বর আসে। এবার তার জ্বর কিছুতেই কমছিল না। ফলে আবারও তাকে বি সি রায় হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু জ্বর না কমায় ১৯ ফেব্রুয়ারি আবারও তাকে কলকাতার ফুলবাগানের বিধান চন্দ্র রায় (বি সি রায়) শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটির বাবা স্বপন রায় বলেন, শনিবার সকালে আমার মেয়ের প্রচুর জ্বর আসে। ওইসময় তার আইসিইউ দরকার ছিল। তবে হাসপাতালে তখন আইসিইউ বেড খালি ছিল না। আমি অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কথা বলি, কিন্তু চিকিৎসকরা আমার কোনো কথা শুনতে চাননি। শিশুটির মা লক্ষ্মী রায় অভিযোগ করেন, চিকিৎসকরা ঠিকমতো চিকিৎসা করেননি বলেই শিশুটি মারা যায়। এর আগে চলতি মাসে একাধিক শিশুর মৃত্যুর কারণ হিসেবে অ্যাডিনোভাইরাসকে দায়ী করা হচ্ছে। তবে কলকাতায় এই ভাইরাস এখন পর্যন্ত কতজনের প্রাণ হারিয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম