ঢাকা ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ভ্যানচালকসহ নিহত ২ ৭ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন স্পিকার ও পররাষ্ট্রসচিব রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ সিইসি এমপিদের, রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন: আইন উপদেষ্টা নওগাঁয় খাসির মাংস বলে কুকুরের মাংস বিক্রি, তোপের মুখে পালালো কসাই শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হককে ধর্মমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী কলাবাগানে মেয়ের পরিবারের ধাওয়ায় ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১ সংস্কারের পর যমুনায় উঠবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী

এবার গ্রাহকের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের জিডি

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৬ জুন, ২০২৪,  12:53 PM

news image

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের চট্টগ্রাম চকবাজার শাখায় লকার থেকে ১৪৯ ভরি সোনা গায়েবের ঘটনায় মামলা করার ছয়দিন পর ওই গ্রাহকের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে ব্যাংকটি। মঙ্গলবার (৪ জুন) রাতে চকবাজার থানায় এ জিডিটি করেন চকবাজার শাখার লকার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইউনুস। তিনি জিডিতে গ্রাহক রোকেয়া বারীর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন,

মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করেছেন রোকেয়া বারী। জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে বুধবার রাতে চকবাজার থানার কর্মকর্তা ওয়ালি উদ্দিন আকবর বলেন, ব্যাংকের এক কর্মকর্তা আমাদের থানায় গ্রাহক রোকেয়া বারীর বিরুদ্ধে জিডি করেছেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এর আগে সোনা গায়েবের ঘটনায় চকবাজার থানায় ব্যাংকের চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন গ্রাহক রোকেয়া বারী।

অভিযুক্তরা হচ্ছেন, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল মওলা, কোম্পানি সচিব জেকিউএম হাবিবুল্লাহ, শাখা ব্যবস্থাপক এস এম শফিকুল মওলা ও লকার ইনচার্জ মো. ইউনুস। অভিযোগে রোকেয়া আক্তার বারী উল্লেখ করেছেন, তিনি ও তার মেয়ে নাসিয়া মারজুক যৌথ মালিকানায় ২০০৬ সাল থেকে ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখায় একটি লকার ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করে আসছিলেন। লকারে নাসিয়া ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রায় ১৬০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার গচ্ছিত ছিল। তিনি গত ২৯ মে দুপুরে ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন, তার জন্য বরাদ্দ করা লকারটি খোলা অবস্থায় আছে।

সেখানে রাখা স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে প্রায় ১৫০ ভরি ‘চুরি’ হয়েছে। স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে আছে ৬০ ভরি ওজনের ৪০ পিস হাতের চুড়ি, ২৫ ভরি ওজনের চার সেট জড়োয়া, ১০ ভরি ওজনের একটি গলার সেট, ২৮ ভরি ওজনের ৭টি গলার চেইন, ১৫ ভরি ওজনের ২৫টি আংটি এবং ১১ ভরি ওজনের ৩০ জোড়া কানের দুল। চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ওয়ালী উদ্দিন আকবর বলেন, ব্যাংকের গ্রাহক অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছেন।

যেহেতু এটি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শিডিউলভুক্ত। আমরা অভিযোগ গ্রহণ করে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেটি দুদকে পাঠাব। চকবাজার শাখা প্রধান ও ইসলামী ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম শফিকুল মওলা চৌধুরী জানান, গ্রাহকের অভিযোগ তদন্তে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। লকার থেকে স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার সুযোগ নেই।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম