ঢাকা ১১ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি বাধ্যতামূলক হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কৃষক কার্ডে ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ মোবাইল গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর ৬ শিশুর মৃত্যু: আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল জুলাই শহীদ পরিবারকে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতার প্রস্তাব পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে ওসমান হাদির বীরত্বগাথা দেশের ৫৫তম বাজেট উত্থাপন চলছে নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫ ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগও থাকছে

আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ১১

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫,  12:40 PM

news image

সাভারের আশুলিয়ায় বাসাবাড়ির রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ দগ্ধ হয়েছেন ১১ জন। তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালে দগ্ধদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাতে আশুলিয়ার গোমাইল এলাকায় আমজাদ ব্যাপারীর আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- সুমন মিয়া (৩০), সূর্য্য বানু (৫৫), জহুরা বেগম (৭০), মনির হোসেন (৪৩), সোহেল (৩৮), শিউলি আক্তার (২৫), শারমিন (২৫), ছামিন মাহমুদ (১৫), মাহাদী (৭), সোয়ায়েদ (৪) ও সুরাহা (৩)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গোমাইল এলাকার আমজাদ ব্যাপারীর আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকেন মো. সুমন। গ্রামের বাড়ি থেকে ওই দিন সুমনের মা ও তার ভাই সোহেলের পরিবার ওই বাসায় বেড়াতে আসে। রাত ১০টার দিকে শবে বরাতের রুটি ও পিঠা বানানোর সময় হঠাৎ সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে সুমনের কক্ষে আগুন ধরে গেলে তাদের পরিবারের শিশু ও নারীসহ মোট ১১ জন দগ্ধ হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। দগ্ধ সোহেল রানা বলেন, শবে বরাত উপলক্ষে আমার ভাই সুমনের বাসায় পরিবার নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে পিঠা বানানোর সময় হঠাৎ সিলিন্ডার লিকেজে বিস্ফোরণ হয়। এতে ঘরে আগুন ধরে গেলে পরিবারের সবাই দগ্ধ হয়। স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালের ম্যানেজার অপারেশন হারুন-অর-রশিদ জানান, রাতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১১ দগ্ধ রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করা হয়েছে। এদের তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম