ঢাকা ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: আইসিসি-বাংলাদেশ দ্বন্দ্বে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল শ্রীলঙ্কা ৭০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরাইল বগুড়ায় জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান বিএনপি সরকারে গেলে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেবে: মাহদী আমিন স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় : মির্জা ফখরুল নির্বাচনে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে হজযাত্রীদের ভিসার আবেদন শুরুর তারিখ নির্ধারণ নির্বাচনে জিতলে পরাজিতদেরকেও দেশ গঠনে সঙ্গী করা হবে: জামায়াত আমির দেশে পৌঁছেছে এক লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট গোপালগঞ্জে এবার আনসার ক্যাম্পে ককটেল নিক্ষেপ

আবার প্রধানমন্ত্রী হতে যে কৌশলে এগোচ্ছেন ইমরান খান

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৬ জানুয়ারি, ২০২৩,  10:29 AM

news image

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আবার সরব হয়ে উঠেছেন। তার চাপের মুখে জনবহুল পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ইমরান খান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন,  জাতীয় পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে শিগগিরই আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে হবে। এত দিন পাঞ্জাবে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ-সমর্থিত (পিটিআই) জোট সরকার ছিল। প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন চৌধুরী পারভেজ এলাহি। তিনি গত সপ্তাহে গভর্নর বালিঘ-উর-রেহমানকে প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এ জন্য চৌধুরী পারভেজ এলাহিকে পরামর্শ দিয়েছিলেন ইমরান খান। গত শনিবার রাতে গভর্নর পাঞ্জাবে নতুন একজন তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগের অনুমোদনপত্রে সই করেছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন,

পিটিআই ও দলটির চেয়ারম্যান ইমরান খান কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পাঞ্জাবে প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙে দিয়েছেন। পিটিআই প্রদেশটিতে নতুন করে নির্বাচন চায়। সংবিধান মেনে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ ছাড়া খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে পিটিআই-সমর্থিত জোট সরকার রয়েছে। সেখানেও প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এ দুই প্রদেশে সরকার গড়তে চায় পিটিআই। পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ডনের খবর অনুসারে, ইমরান খানের এসব পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য, দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসা, আবার প্রধানমন্ত্রী হওয়া। এ জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ওপর পরবর্তী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করতে চান তিনি। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বিষয় না থাকলে দেশটিতে প্রাদেশিক ও সাধারণ নির্বাচন একযোগে অনুষ্ঠিত হওয়ার রেওয়াজ। সেই হিসাবে, আগামী অক্টোবরে পাকিস্তানে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ইমরান খান চান, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পক্ষ থেকে দ্রুত পরবর্তী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হোক। এ জন্য চাপ প্রয়োগের কৌশল বেছে নিয়েছেন তিনি। এর আগে পিটিআইয়ের মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরী বলেছিলেন, নির্বাচনের দাবিতে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ জোরদার করবে তার দল। এর অংশ হিসেবে জাতীয় পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আস্থা ভোটের মুখোমুখি করতে চান ইমরান খান। গত শনিবার পাকিস্তানের হাম নিউজ টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমরান খান বলেছেন, ‘শাহবাজ শরিফ পাঞ্জাবে আমাদের পরীক্ষা নিয়েছেন। এবার তার পালা। জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে কি না, তা প্রমাণ করতে হবে।’ সাক্ষাৎকারে পিটিআইয়ের প্রধান ইমরান খান আরও বলেন, শিগগিরই শাহবাজ শরিফকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে বলবেন প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। প্রথমে শাহবাজকে আস্থা ভোটের মুখে পড়তে হবে। পরে তার ব্যাপারে অন্যান্য পরিকল্পনা রয়েছে। সূত্র: ডন

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম