ঢাকা ২৯ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থীর রাবিতে শিবির ও রাকসু নেতার মারধরে আহত ২ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯০৮ মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্র সোহান হত্যার দায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ফরিদপুরের নগরকান্দায় মানসিক ভারসাম্যহীন পাগলী মা হয়েছে বাবা হয়নি কেউ ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জামায়াত এমপি গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান, সুনামি সতর্কতা জারি

আফ্রিকায় চোখ রাঙাচ্ছে ইবোলার চেয়েও ভয়ংকর এক ভাইরাস

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৫ নভেম্বর, ২০২৫,  12:22 PM

news image

আফ্রিকার শিং নামে পরিচিত ইথিওপিয়ায় এবার হানা দিয়েছে ইবোলার সমগোত্রের এক নতুন প্রাণঘাতী ছোঁয়াচে ভাইরাস—মারবার্গ। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে মোট নয়জন রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি ইবোলার চেয়েও বেশি গুরুতর ও মারাত্মক। ভাইরাসটি আফ্রিকায় এবার নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। খবর আল জাজিরার। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-এর মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেসাস শুক্রবার(১৪ নভেম্বর) ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সংস্থার দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি বলেন, এই দ্রুত পদক্ষেপটি ইঙ্গিত করে যে দেশটি প্রাদুর্ভাব দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর আগে ডব্লিউএইচও জানিয়েছিল যে ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সন্দেহজনক ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বরের খবর পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে।

মারবার্গ ভাইরাস হলো ইবোলার একই গোত্রের। এটিকে ইবোলার চেয়েও গুরুতর বলে বর্ণনা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এটিকে একটি বিরল কিন্তু মারাত্মক হেমোরেজিক জ্বর হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। মিশরের ফলখেকো বাদুড় থেকে উদ্ভূত এই ভাইরাসটি সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরের তরল বা সেই তরল দ্বারা দূষিত বস্তুর সংস্পর্শে এলে ছড়াতে পারে।

এই ভাইরাসটির উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, ফুসকুড়ি এবং মারাত্মক রক্তপাত। তবে সিডিসি জানিয়েছে, মারবার্গের কোনো চিকিৎসা বা টিকা নেই। চিকিৎসা কেবল বিশ্রাম ও হাইড্রেশনের মতো সহায়ক যত্নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ইথিওপিয়ার ওমো অঞ্চলে এই প্রাদুর্ভাব হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। এলাকাটি দক্ষিণ সুদানের খুব কাছে। আফ্রিকা সিডিসি’র মহাপরিচালক জ্যাঁ কাসেয়া বলেন, দক্ষিণ সুদান খুব দূরে নয় এবং তাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্বল। তাই সীমান্ত এলাকায় ঝুঁকি বাড়তে পারে।

ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস জানিয়েছেন, জাতিসংঘ সংস্থাটি প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সংক্রমিতদের চিকিৎসা দিতে সক্রিয়ভাবে ইথিওপিয়াকে সহায়তা করছে এবং সীমান্ত পেরিয়ে বিস্তার রোধের সম্ভাবনা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছে।  ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আক্রান্তদের বিচ্ছিন্ন করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। তারা জনগণকে আতঙ্কিত না হতে এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম