ঢাকা ২০ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদের আগে দাম কমলো সোনার স্বাধীন বাংলার জনগণের প্রত্যাশা পূর্ণ হোক চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার জাবির হল থেকে ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দেশে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা নেই, জুলাই পর্যন্ত মজুদ রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী রাজশাহীতে ট্রাকের ধাক্কায় বাবা-ছেলে নিহত বিসিএফ-এর ইফতার মাহফিলে বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠার আলোচনা রুট গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ আইসিসি থেকে বড় সুখবর পেলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক

আঞ্চলিক নির্বাচনে ভরাডুবি, নতুন কৌশলে হাঁটার ইঙ্গিত এরদোয়ানের

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০২ এপ্রিল, ২০২৪,  10:36 AM

news image

আঞ্চলকি নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি)। এতে ঐতিহাসিক নগরী ইস্তাম্বুলের মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন একরেম ইমামোগুলু। এতেই বুঝা যায়, বিরোধীদের উত্থানটা বেশ চমকপ্রদ। ইমামোগুলুকে এরদোয়ানের ভবিষ্যৎ প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবছেন অনেকে। এই অবস্থায় নিজ দলের মধ্যে পরিবর্তন আনার প্রতিজ্ঞা করেছেন এরদোয়ান। তিনি বলেছেন, যেসব ভুল তার দল একে পার্টিকে পরাজয়ের দিকে নিয়ে গেছে সেগুলো তিনি সংশোধন করবেন। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের খবরে বলা হয়েছে, তুরস্কের ৮২টি অঞ্চলের মধ্যে এরদোয়ানের একে পার্টি জিতেছে মাত্র ২৪টি অঞ্চলে। বাকি অঞ্চলগুলোর বেশির ভাগই গেছে এরদোয়ান বিরোধী শিবিরে। যদিও প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্ট বা সিএইচপি পেয়েছে ৩৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। আর এরদোয়ানের একে পার্টি পেয়েছে ৩৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ ভোট। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে বিরোধীরা মূলত তুরস্কের অর্থনৈতিক দুর্দশা ও ইসলামপন্থীদের পৃথক হিসেবে প্রদর্শন করে তুর্কিদের বড় একটি অংশের ভোট জিতে নিয়েছে। এই অবস্থায় এরদোয়ানের সংবিধান সংশোধনের যে পরিকল্পনা তা বাস্তবায়িত নাও হতে পারে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, রবিবার অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনের হার এরদোয়ানের ২০ বছরের ক্ষমতায় থাকার সময়ে সবচেয়ে বড় পরাজয়। এই নির্বাচন বিরোধীদের শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইস্তাম্বুলের নবনির্বাচিত মেয়র একরেম ইমামোগুলুকে এরদোয়ানের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে হাজির করেছে।  বিশ্লেষকেরা বলছেন, তুরস্কে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং প্রায় ৭০ শতাংশের কাছাকাছি মূল্যস্ফীতির কারণে ভোটাররা তার দল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এই অবস্থায় তুরস্কের সংবিধান সংশোধনে এরদোয়ানের যে পরিকল্পনা তা ভেস্তে যেতে পারে। এরদোয়ান মূলত ২০২৮ সালের পরও তার ক্ষমতায় থাকা নির্বিঘ্ন করতেই এই সংশোধনী আনতে চান। যদিও পার্লামেন্টে এরদোয়ান ও তার মিত্রদের প্রাধান্য আছে, তবে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধীদের উত্থান সংবিধান সংশোধনীর বিষয়টিকে নিশ্চিতভাবে চাপে ফেলবে। বিশেষ করে, যদি সংবিধান সংশোধনের জন্য গণভোটের আয়োজন করতে হয় সে ক্ষেত্রে এরদোয়ানের ইচ্ছা পূরণ নাও হতে পারে। সম্ভবত, এই নির্বাচনে হারের পর এরদোয়ান ভোটারদের আস্থায় নিতেই কৌশল বদলানোর ইঙ্গিত দিচ্ছেন। আর তাই সোমবার আঙ্কারায় একে পার্টির প্রধান কার্যালয়ে এরদোয়ান বলেছেন, এটি আমাদের যাত্রার শেষ নয় বরং এটি আমাদের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট। এরদোয়ান বলেন, আমরা যদি কোনও ভুল করে থাকি, তা আমরা ঠিক করে নেব। সূত্র: রয়টার্স

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম