ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বৃষ্টিবলয়, ৪ বিভাগে বেশি সক্রিয় হাম উপসর্গে আরও ৫ প্রাণহানি, মোট মৃত্যু সাড়ে ৬ শ ছুঁইছুঁই ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাঙালি পরিচয়ে সীমান্তের ওপারের কারও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই: তথ্যমন্ত্রী মধ্যরাত পর্যন্ত গ্যাসের চাপ কম থাকবে: তিতাস অর্থায়নের উৎস বৈচিত্র্যময় করতে হবে: অর্থমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে গন্তব্যে গেলেন প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক বিনিয়োগে গঠনমূলক সহযোগিতা করতে আগ্রহী বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন সম্ভব: এফবিসিসিআই গাজীপুরে কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট

আজ সারাদিন যেমন থাকবে আবহাওয়া

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৭ মে, ২০২৪,  10:47 AM

news image

ঘূর্ণিঝড় রেমাল উপকূল অতিক্রম করছে প্রবল। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের ৮ বিভাগেই ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের তিন বিভাগ ও তিন জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হওয়ার আভাস দিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তাপপ্রবাহ নিয়ে বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ ও বগুড়া জেলাসহ রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ২ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। এদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমাল প্রতি ঘণ্টায় ১৫ থেকে ১৮ কিলোমিটার বেগে উপকূল অতিক্রম করছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি আশঙ্কা করছে, বাতাসের গতি ও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। জোয়ারের সময় ঝড়টি উপকূল অতিক্রম করায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কাও রয়েছে। অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদী বন্দরগুলোকে ৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম