ঢাকা ১৯ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার জাবির হল থেকে ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দেশে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা নেই, জুলাই পর্যন্ত মজুদ রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী রাজশাহীতে ট্রাকের ধাক্কায় বাবা-ছেলে নিহত বিসিএফ-এর ইফতার মাহফিলে বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠার আলোচনা রুট গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ আইসিসি থেকে বড় সুখবর পেলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক যমুনায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় কথা না বলার অঙ্গীকার করে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯ বগি লাইনচ্যুত, হতাহতের শঙ্কা

আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ নভেম্বর, ২০২১,  10:12 AM

news image

আজ শুক্রবার (১২ নভেম্বর)। ১৯৭০ সালের এদিনে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ‘গোর্কি’র আঘাতে দক্ষিণাঞ্চলের ৪ লাখেরও বেশি ঘর-বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৩৬ লাখ মানুষ। শুধু ভোলাতেই মারা যায় অন্তত ৫ লাখ মানুষ। লন্ড-ভন্ড হয়ে গিয়েছিলো ভোলার বিস্তীর্ণ জনপদ। আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় গাছে উঠে প্রাণ বাঁচায় অনেকে। গোর্কির আঘাত এবং জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহতা এতই নির্মম ছিলো যে সেই দিনের কথা মনে পড়লে আজও আতঙ্ক আর ভয়ে শিহরে ওঠে সেখানকার মানুষের প্রাণ। ১৯৭০ সালের বন্যার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষের দুর্দশা সচোখে দেখার জন্য ভোলা সদর, মনপুরা ও কুকরি-মুকরিসহ বিভিন্ন এলাকায় আসেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই ভোলার মানুষের জান-মাল এবং গবাদিপশু রক্ষায় বনায়ন ও কিল্লা নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তবে এখনো প্রয়োজন অনুযায়ী আশ্রয় কেন্দ্র নির্মিত না হওয়ায় বিভিন্ন চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার ৫ লক্ষাধিক মানুষের দিন কাটে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ঝুঁকির মাঝে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম