ঢাকা ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু, প্রাথমিক লক্ষণ নিয়ে ডব্লিউএইচও’র সতর্কবার্তা পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন ঘোষণার হিড়িক, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ককটেল ফোটালেই ৫ হাজার টাকা, যোগাযোগে ভারতীয় নম্বর: ডিবি মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের ১২ নির্দেশনা ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল, উত্তাল সাগরে ১৮ জেলে পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফিলিস্তিনিদের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার কানাডার

আজ ভয়াল ১২ নভেম্বর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ নভেম্বর, ২০২১,  4:12 PM

news image

আজ শুক্রবার (১২ নভেম্বর)। ১৯৭০ সালের এদিনে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ‘গোর্কি’র আঘাতে দক্ষিণাঞ্চলের ৪ লাখেরও বেশি ঘর-বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৩৬ লাখ মানুষ। শুধু ভোলাতেই মারা যায় অন্তত ৫ লাখ মানুষ। লন্ড-ভন্ড হয়ে গিয়েছিলো ভোলার বিস্তীর্ণ জনপদ। আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় গাছে উঠে প্রাণ বাঁচায় অনেকে। গোর্কির আঘাত এবং জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহতা এতই নির্মম ছিলো যে সেই দিনের কথা মনে পড়লে আজও আতঙ্ক আর ভয়ে শিহরে ওঠে সেখানকার মানুষের প্রাণ। ১৯৭০ সালের বন্যার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষের দুর্দশা সচোখে দেখার জন্য ভোলা সদর, মনপুরা ও কুকরি-মুকরিসহ বিভিন্ন এলাকায় আসেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই ভোলার মানুষের জান-মাল এবং গবাদিপশু রক্ষায় বনায়ন ও কিল্লা নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তবে এখনো প্রয়োজন অনুযায়ী আশ্রয় কেন্দ্র নির্মিত না হওয়ায় বিভিন্ন চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার ৫ লক্ষাধিক মানুষের দিন কাটে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ঝুঁকির মাঝে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম