ঢাকা ০৭ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ- হামের উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ১০৩২ এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা হিলি সীমান্তেও পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি ‘৩ ফুটের মধ্যেও শিশুর নিরাপত্তা নেই’, রামিসার বাবা সারাদেশে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শুরু; সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি থাকবে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাভারে আল-মুসলিম গ্রুপে শ্রমিক ছাঁটাই, ন্যায্য পাওনার দাবিতে বিক্ষোভ হানি ট্র্যাপে ফেলে মুক্তিপণ দাবি, চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

অপহরণের ৭ দিন পর কলেজছাত্রের মাটিচাপা লাশ উদ্ধার

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১২ নভেম্বর, ২০২৪,  10:50 AM

news image

শেরপুরে অপহরণের ৭ দিন পর কলেজছাত্র সুমন মিয়ার (১৮) মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে শেরপুর শহরের সজবরখিলা এলাকা উত্তরা হাসপাতালের কাছে এক পুলিশ সদস্যের বাসার আঙিনার মাটি খুঁড়ে তার (সুমনের) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন- শহরের বাগরাকসা এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম, তার মেয়ে একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া আন্নি আক্তার (১৯) ও পুলিশের ছেলে রবিন মিয়া (২০)। নিহত সুমন মিয়া শহরের কসবা বারাকপাড়া (নিমতলা) এলাকার কৃষক মো. নজরুল ইসলামের ছেলে এবং শেরপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। গত ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুমন মিয়া শহরের বাগরাকসা কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকা থেকে অপহৃত হন।   পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম কলেজছাত্র সুমনের লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটকের পর অপহৃত সুমনকে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে আটককৃতদের তথ্যের ভিত্তিতে মাটিচাপা অবস্থায় সুমনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এসপি জানান, রবিবার রাতেও মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে সুমনের সর্বশেষ অবস্থান ময়মনসিংহে ছিল বলে জানা যায়। তবে তারপর থেকেই ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়েও তার কোনো হদিস মেলেনি। সদর থানার ওসি মো. জুবায়দুল আলম বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২-৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যে এজাহারভুক্ত ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম