ঢাকা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী একযোগে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ভারতে একের পর এক ঐতিহাসিক মসজিদ ভাঙার হিড়িক এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ফের শুরু হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার ও সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: ন্যায়বিচারে নতুন দিগন্ত বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে শুল্কছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র জেলা শহরে চালু হচ্ছে স্কুলবাস

অপরিচিত এক ভাইরাস ডিঙ্গা ডিঙ্গা, আক্রান্ত একের পর এক নারী-শিশু

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর, ২০২৪,  5:05 PM

news image

অপরিচিত একটি ভাইরাস, নাম ডিঙ্গা ডিঙ্গা। উগান্ডার বুন্দিবুগিও জেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে রীতিমতো আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে এই ভাইরাস। সংবাদমাধ্যম মিন্ট এর দেয়া তথ্যমতে একের পর এক নারী ও শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছেন এই ভাইরাসে। বৈজ্ঞানিকভাবে এখনও ভাইরাসটি পরিচয় নির্ধারণ করা যায়নি, স্থানীয়ভাবে এটি পরিচিতি পেয়েছে ‘ডিঙ্গ ডিঙ্গা’ নামে, বাংলাভাষায় যার অর্থ ‘নৃত্যের মতো কাঁপতে থাকা’। এ পর্যন্ত বুন্দিবুগিও জেলার ৩০০ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের অধিকাংশই নারী এবং মেয়ে। প্রবল জ্বর এবং জ্বরের ঘোরে ব্যাপকমাত্রায় কাঁপুনি রোগটির প্রধান উপাসর্গ। এখন পর্যন্ত ডিঙ্গা ডিঙ্গায় কারো মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়নি। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে যারা চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসছেন, তাদেরকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে।

বুন্দিবোগিও জেলার চিকিৎসা কর্মকতর্কা ডা. ক্রিস্টোফার সংবাদমাধ্যমকে জানান, “অনেকেই স্থানীয় কবিরাজদের পরামর্ষে ভেষজ ওষুধ সেবন করছেন, কিন্তু এ ধরনের ওষুধে কোনো উপকার হয়— বৈজ্ঞানিকভাবে এখনও এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আমরা সুনির্দিষ্টভাবে চিকিৎসা করছি এবং অধিকাংশ রোগীই এক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। আমি স্থানীয় লোকজনকে অনুরোধ করব, অসুস্থতা দেখা দেওয়া মাত্র নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।” এখনে উল্লেখ্য যে এখন পর্যন্ত বুন্দিবুগিও জেলার বাইরে কোনো রোগী ‘ডিঙ্গা ডিঙ্গা’ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন— এমন সংবাদ পাওয়া যায়নি। আক্রান্তদের শারীরিক পরীক্ষার নমুনা উগান্ডার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত সেগুলোর ডায়াগনসিস হয়নি।

উগান্ডার নারীদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেমন

উগান্ডার নারীদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা অবশ্য খুব সন্তোষজনক নয়। দেশটির সরকারি পরিসসংখ্যান বলছে, দেশটিতে সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে প্রতি ১ লাখ নারীর মধ্যে মৃত্যু হয় ৪৪০ জনের। অনিরাপদ গর্ভপাত, সংক্রমণ, সন্ত্রান জন্ম দেওয়ার সময় অতিমাত্রায় রক্তক্ষরণ এবং গর্ভধারণ অবস্থায় ম্যালেরিয়া, ডায়াবেটিস, হেপাটাইটিস প্রভৃতি রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর হাজার হাজার নারীর মৃত্যু হয় উগান্ডায়। বর্তমানে দেশটির নারীদের গড় আয়ু ৫৮ বছর ৯ মাস। ২০০০ সালের তুলনায় এ আয়ু ১৪ বছর ৪ মাস বেড়েছে।

সূত্র : মিন্ট

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম