ঢাকা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ভ্যানচালকসহ নিহত ২ ৭ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন স্পিকার ও পররাষ্ট্রসচিব রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ সিইসি এমপিদের, রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন: আইন উপদেষ্টা নওগাঁয় খাসির মাংস বলে কুকুরের মাংস বিক্রি, তোপের মুখে পালালো কসাই শাহ মোহাম্মদ নেছারুল হককে ধর্মমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী কলাবাগানে মেয়ের পরিবারের ধাওয়ায় ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১ সংস্কারের পর যমুনায় উঠবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী

৭৫০ টাকার সার দেড় হাজার টাকায়ও মিলছে না

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২১ আগস্ট, ২০২২,  1:14 PM

news image

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সারের বাজারে নৈরাজ্য! মূল্যবৃদ্ধির খবরে বাজারে শুরু হয়েছে কৃত্রিম সংকট। সাড়ে ৭৫০ টাকার পটাশ (এমওপি) সার কিনতে হচ্ছে দেড় হাজার টাকায়। আবার বেশি দামেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সার। এতে আমন আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। শঙ্কা দেখা দিয়েছে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, উপজেলায় ১০ জন বিসিআইসি ডিলারের কাছে গত শনিবার (২০ আগস্ট) পর্যন্ত সার মজুত আছে ইউরিয়া ৩৬৭ মেট্রিক টন, পটাশ (এমওপি) ৩০ মেট্রিক টন, ফসপেট (টিএসপি) ১৭৭ মেট্রিক টন ও ডিএপি ৬৮৭ মেট্রিক টন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা এমওপি সারের সংকটসহ দাম বৃদ্ধির কথা স্বীকার করেন। উপজেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে। ইতোমধ্যেই উপজেলার ৮০ শতাংশ জমিতে আমন রোপণ কাজ শেষ হয়েছে পাঠকপাড়া গ্রামের কৃষক ছাইদুল ইসলামের অভিযোগ, ৭৫০ টাকার পটাশ (এমওপি) সার বাজারে এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিলারের ঘরে গিয়েও পটাশ (এমওপি) সার পাওয়া যাচ্ছে না। শ্রীরামপুর গ্রামের যোহান হেম্ব্রম বলেন, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে বৃষ্টির দেখা মেলেনি। চারা রোপণের সময়ও প্রায় শেষ। তাই বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে জ্বালানি কিনে সেচ দিয়ে আমন চারা রোপণ করতে হচ্ছে। এমন সময় বাড়ানো হয়েছে সারের দাম। বেশি দাম দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না পটাশ (এমওপি) সার। এত খরচ করে আবাদ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েও দুশ্চিন্তা রয়েছে। বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে ইউরিয়া ও টিএসপি এক হাজার ১০০ টাকার স্থলে এক হাজার ২০০, ডিএপি ৮০০ টাকার স্থলে ৯০০ এবং পটাশ (এমওপি) ৭৫০ টাকার স্থলে এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সার ডিলার খোরশেদুল আলম লালু বলেন, আমার বরাদ্দের পটাশ (এমওপি) সার বিক্রি হয়ে গেছে। বাজারে দাম বেশি, তাই ঘরে কোনো সার নেই। চাহিদানুযায়ী পটাশ সার সরবরাহ না পাওয়ায় বাজারে কিছুটা সংকট সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুম্মান আক্তার বলেন, পটাশ (এমওপি) সারের তেমন সংকট নেই, তবে অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। সেটি পাওয়া গেলে চাহিদা পূরণ হবে। সারের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র : ইত্তেফাক 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম