ঢাকা ০১ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ইরানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অর্থমন্ত্রী রিজিকের সঙ্গে শেষ দেখা হলো না মা ইকরার এবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধান নিহতের তথ্য নিশ্চিত করল ইরান মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের বৈঠক শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৫৪ ফ্লাইট বাতিল দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নবীন চিকিৎসকদের রাজনীতিতে ইনভলভ করবেন না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ আজ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে ৪ বিভাগে

৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ছিলেন খামেনি

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০১ মার্চ, ২০২৬,  10:32 AM

news image

বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় ইরানের শাসন পদ্ধতি বেশ আলাদা। সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বা সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হলেও দেশের মূল ক্ষমতা থাকে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার হাতে। ৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ধর্মীয় পণ্ডিতের সন্তান খামেনি ১৯৬২ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর আলি খামেনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) গঠনে সহায়তা করেন। ১৯৮৯ সালের জুন মাসে খোমেনির মৃত্যু হলে ধর্মীয় নেতাদের বিশেষজ্ঞ পরিষদ খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।  এরপর থেকে আয়াতুল্লাহ খামেনি ইরানের রাজনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন এবং শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জগুলো কখনও কখনও সহিংসভাবে দমন করেছেন। তিনি পররাষ্ট্র বিষয়েও ধারাবাহিকভাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান মুখোমুখি অবস্থান রয়েছে। তিনি বরারবরই ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছেন এবং হলোকাস্ট ঘটেছিল কি না তা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। ছয়জন সন্তানের জনক খামেনির শাসনামলে ইরানে সাতজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম