ঢাকা ১৩ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডিএসসিসি পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসন সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন ১৮টি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে: প্রশাসক একনেক সভায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন হাম ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু দেশে বছরে ২৪ হাজার মানুষের মৃত্যু কারণ অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি: তথ্যমন্ত্রী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্ল্যান্ট বসানোর ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর এপ্রিলে ৫২৭ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৫১০ জন নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২ চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারাজ ২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

১৪ বছর পর সেকেন্দার হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ নভেম্বর, ২০২৩,  2:39 PM

news image

দীর্ঘ ১৪ বছর পর পাবনা ঈশ্বরদী উপজেলায় জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সেকেন্দার শাহ হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন পাবনার বিশেষ জজ আদালত। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৮ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনার বিশেষ জজ আদালতের (জেলা জজ) বিচারক আহসান তারেক এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার বাবুলচারা গ্রামের ইউসুফ আলী শাহের ছেলে জিয়া শাহ ও মজিবর শাহ, মৃত গেদু শাহের ছেলে শাহজাহান শাহ, মৃত তফু শাহের ছেলে আতু শাহ, পরশ উল্লা শাহের ছেলে সেন্টু শাহ ও মৃত গফুর শাহের ছেলে ইয়ারুল শাহ। আসামিরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কৃষি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বাবুলচারা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান শাহের ছেলে সিকেন্দার শাহকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেন অভিযুক্ত আসামিরা। এ ঘটনায় নিহতের ভাই জিন্নাত শাহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দুই আসামি মৃত্যু হওয়ায় ২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি ১৪ জনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ‌। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক এবং আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কাজী সাইদুর রহমান। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামিরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন দাবি করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম