ঢাকা ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বগুড়ায় গ্রেপ্তার হিরো আলম সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি ‘মেরুদণ্ড সোজা রেখে’ সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় সরকার: শামা ওবায়েদ কক্সবাজারে মেসুত ওজিল, সঙ্গে এরদোয়ানের ছেলে বিলাল দুর্নীতি বা তদবির বাণিজ্য সহ্য করা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী রমজানেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড: আবদুল আউয়াল মিন্টু দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ছাতক শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করবে না এই সরকার: ববি হাজ্জাজ

১৪ বছর পর সেকেন্দার হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ নভেম্বর, ২০২৩,  2:39 PM

news image

দীর্ঘ ১৪ বছর পর পাবনা ঈশ্বরদী উপজেলায় জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সেকেন্দার শাহ হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন পাবনার বিশেষ জজ আদালত। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৮ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনার বিশেষ জজ আদালতের (জেলা জজ) বিচারক আহসান তারেক এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার বাবুলচারা গ্রামের ইউসুফ আলী শাহের ছেলে জিয়া শাহ ও মজিবর শাহ, মৃত গেদু শাহের ছেলে শাহজাহান শাহ, মৃত তফু শাহের ছেলে আতু শাহ, পরশ উল্লা শাহের ছেলে সেন্টু শাহ ও মৃত গফুর শাহের ছেলে ইয়ারুল শাহ। আসামিরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কৃষি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বাবুলচারা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান শাহের ছেলে সিকেন্দার শাহকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেন অভিযুক্ত আসামিরা। এ ঘটনায় নিহতের ভাই জিন্নাত শাহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দুই আসামি মৃত্যু হওয়ায় ২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি ১৪ জনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ‌। এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক এবং আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কাজী সাইদুর রহমান। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামিরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন দাবি করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম