ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু জামায়াত আমির কখনোই সুষ্ঠু চিন্তা করেন না: মির্জা ফখরুল বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটা শুরু করেছে: জামায়াত আমির নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কাস্টমস কর্মকর্তা মরদেহ ফুটপাত থেকে উদ্ধার বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে দুঃসংবাদ যুদ্ধের ডামাডোল পেরিয়ে হজে যাচ্ছেন ৩০ হাজার ইরানি গরমের তীব্রতা নিয়ে ২১ জেলার জন্য দুঃসংবাদ সারা দেশে উচ্চ সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যে কারণ কলাবাগান এসটিএস-এর নান্দনিক রূপান্তর ও ধানমন্ডিতে ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতা কাজের শুভ উদ্বোধন ভিসা নিয়ে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের দুঃসংবাদ দিলো যুক্তরাষ্ট্র

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিতের বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ মে, ২০২৩,  8:56 AM

news image

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিতের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের সকল শ্রমজীবী-কর্মজীবী মানুষের জন্য সংগ্রামী চেতনায় উদ্ভাসিত একটি দিন ‘মহান মে দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্প ও শ্রমবান্ধব বর্তমান সরকার শ্রমিকের সার্বিক কল্যাণ সাধন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে উন্নত কর্মপরিবেশ, শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক, শ্রমিকের পেশাগত নিরাপত্তা ও সুস্থতাসহ সার্বিক অধিকার নিশ্চিতকরণের কোনো বিকল্প নেই।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, স্বার্থ ও কল্যাণের সঙ্গে মহান মে দিবসের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশের শিল্প ও বাণিজ্যের অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে প্রয়োজন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, শ্রমিকের নিষ্ঠা এবং শ্রমিক-মালিকের পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। শ্রমিক ও মালিকের ইতিবাচক অংশগ্রহণের মাধ্যমে শ্রম ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা ও উৎপাদনশীলতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পরেই মে দিবসকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করেন এবং পহেলা মে দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকল্পে তিনি (বঙ্গবন্ধু) মজুরি কমিশন গঠন করেন এবং শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর ঘোষণা দেন। ১৯৭২ সালে জাতির পিতার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে এবং আইএলও’র ৬টি কোর কনভেনশনসহ ২৯টি কনভেনশন অনুসমর্থন করে। শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় এ এক অনন্য মাইলফলক। তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে অলিজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত, একদিকে শোষক আর অন্যদিকে শোষিত- আমি শোষিতের পক্ষে।’ বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্ন দেখতেন। তার সেই স্বপ্ন পূরণে শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করে যেতে হবে। এ লক্ষ্য পূরণে শ্রমিক-মালিক সম্প্রীতি ও যৌথ প্রয়াস দেশের উন্নয়নকে আরও বেগবান করবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম