ঢাকা ০২ নভেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সীমান্তের ওপারের ইশারায় অনেকে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন নিয়ম কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার আগাম বার্তা পাবেন কৃষকরা প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও যৌথ অভিযানে উপকূলে জলদস্যুতা কমেছে আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন, মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার জুড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ লাহোর-দিল্লির পরই ঢাকা, বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল আলোকিত করবে সরকারের পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প ফ্লোরিডায় বিমান বিধ্বস্তের আগে পাইলটের শেষ বার্তা, ‘মাটিতে আছড়ে পড়তে যাচ্ছি’

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  5:03 PM

news image

বগুড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার ১১ বছর পর স্বামী শামিম প্রামাণিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এ রায় দেন।  কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শামিম বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার দক্ষিণ আমইন এলাকার বাসিন্দা। একই মামলায় শামিমের বাবা-মাসহ অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আশেকুর রহমান সুজন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, ২০১২ সালে শামিমের সঙ্গে নাজিরা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় নাজিরার বাবা ইউসুফ আলী মেয়ের জামাইকে দেড় লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণ দেন। ওই সময় তিনি আরও ৫০ হাজার টাকা এক বছরের মধ্যে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেন। এই টাকার জন্য স্ত্রী নাজিরাকে প্রায়ই মারধরসহ শারীরিক নির্যাতন করতেন শামিম। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ৫ মে দুপুরে দিকে যৌতুকের আরও ৫০ হাজার টাকা আনার জন্য নাজিরাকে চাপ দেয় শামিম। টাকা আনতে অস্বীকৃতি জানালে কাঠের খড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে নাজিরাকে হত্যা করা হয়। পরে ওইদিন রাতেই নাজিরার বাবা ইউসুফ আলী শামিম ও তার বাবা-মাসহ চারজনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে শামিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। এছাড়া অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।  আশেকুর রহমান সুজন আরও বলেন, রায়ের পর আসামি শামিমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম