NL24 News
২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, 4:58 PM
স্ত্রীর করা ধর্ষণ মামলায় আসামি হলেন শ্বশুর-শ্বাশুড়ি-স্বামী'সহ ৪ জন, তদন্তে পিবিআই
টেকনাফ প্রতিনিধি : কক্সবাজারের উখিয়া জালিয়াপালং ইউনিয়নের মনখালী বটতলী এলাকায়, শ্বশুর শাশুড়ি ও স্বামী এবং স্বামীর বড় ভাই সহ ৪জনকে আসামি করে স্ত্রীর ধর্ষণ মামলা, তদন্তে নেমেছেন পিবিআই। এই মামলায় বাদি হয়েছেন ইসমাইলের শ্বাশুড়ি মরিয়মের মা ছেনোয়ারা বেগম, আসামি করা হয় মেয়ের জামাই ইসমাইল তার বাবা অলী আহমদ মা রাজিয়া বেগম ও বড় ভাই রাসেলকে। তাঁরা উভয় পক্ষ পরষ্পর আত্মীয় স্বজন এবং একি গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। গত সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে এই মামলার তদন্তে আসেন পিবিআইয়ের সাব ইন্সপেক্টর এস'আই মুসলিম উদ্দিন বাবলু , এর মধ্যে দেখা হয় মামলার বাদী বিবাদী উভয় পক্ষের সঙ্গে, তদন্ত করা হয় সঠিক নিয়মে, এসময় পিবিআইয়ের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হয়ে বিবাদীর উপর ক্ষুব্ধ হয়, এই মামলার বাদি ছেনোয়া বেগম। এর আগে চলতি বছরের (২ অক্টোবর) ১৪ লক্ষ টাকার দেনমোহর ২ ভরী নগদ স্বর্ণে বিয়ে হয় স্টাম্প মূলে প্রেমের টানে সামাজিক ভাবে, অলী আহমদের ছেলে হাফেজ ইসমাইল ও নূরুল হাকিমের মেয়ে সুমায়া নূর মরিয়ম দাম্পত্যের মধ্যে, দেড় মাসের একটি ছেলে সন্তান ও হয়েছে তাদের, দেনমোহরের ১৪ লাখ টাকার ক্ষতি পূরণ আদায় করতে মেয়ের মা ছেনোয়া বেগম ৪জনকে আসামি করে বিয়ের পরে স্বামী ইসমাইল শ্বশুর অলী আহমদ শ্বাশুড়ি রাজিয়া বেগম ও ইসমাইলের বড় ভাই রাসেলের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন বলে তাদের দাবি, পাশাপাশি এই মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। এর আগে গত (২৮ নভেম্বর) ইসমাইলের স্ত্রী মরিয়মকে সাথে নিয়ে মা ছেনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন, যার মামলার ধারা দেওয়া হয়েছে ৯ এক এর ৩৫৪/৩২৩/৫০৬(২) এর ধারা। এসময় পিবিআইয়ের সাব ইন্সপেক্টর মুসলিম উদ্দিন বাবলু বলেন, আমরা সরজমিন ঘুরে তদন্ত করে নিরীহ এবং অপরাধীদের পার্থক্য করে মহামান্য আদালতে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেবো এরপর আদালত তা বিবেচনা করে অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করবেন, তবে এখনো আমাদের তরফ থেকে কোন কিছু বলা সম্ভব নয়। পিবিআইয়ের তদন্তকালে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় আবছার বাহাদুর সিরাজ মেম্বার মোহাম্মদ হোসেন মাওঃ ইউসুফ জসিম হাছান শরীফ এবাদুল্লাহ মোহাম্মদ উল্লাহ সহ অনেকেই । এ বিষয়ে মামলার বাদি ছেনোয়ারা বেগম মুক্ত খবর'কে জানান, আমার মেয়ে সুমাইয়া নূর মরিয়মের সঙ্গে অলীর ছেলে ইসমাইল শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্বা হলে পরে এলাকাবাসীর মাধ্যমে স্টামফ মূলে বিয়ে হয় বিয়ের পর থেকে আমার মেয়েকে মারধর ও নির্যাতন করে, একটা ছেলে বাচ্চা ও হয়েছে।