ঢাকা ১৮ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হার না মানা মো: শফিকুল ইসলাম এর জীবন জয়ের গল্প ‘সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে দেশীয় সক্ষমতাই হবে আমাদের প্রধান শক্তি’ ৯৫ বার পেছাল রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ যার জন্য হার্টবিট বেড়ে যায় পরীমণির সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলকের স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে, হচ্ছে নতুন আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী কর আদায় না বাড়লে বাণিজ্য চুক্তি অর্থনীতিতে চাপ বাড়াবে ভিসি নিয়োগ নিয়ে ডুয়েটে অচলাবস্থা, চলছে ব্লকেড কর্মসূচি

সুইস ব্যাংকের তথ্য চাওয়ার বক্তব্য ভুল ছিল: সুইস এমব্যাসি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ আগস্ট, ২০২২,  12:34 PM

news image

প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলেও সুইস ব্যাংকের তথ্য চাওয়া নিয়ে বক্তব্য ভুল ছিল বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে সুইজারল্যান্ড এমব্যাসি। শনিবার (২৭ আগস্ট) হাইকোর্টে এমন প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। গত ১০ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাতালি চুয়ার্ড বলেন, বাংলাদেশ সরকার এখন পর্যন্ত সুইস ব্যাংক বা কর্তৃপক্ষের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য চায়নি। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের কাছে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চায় হাইকোর্ট।  জানা গেছে, সুইস ব্যাংক চলতি বছরের ১৬ জুন বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরদিন এগমন্ড সিকিউর ওয়েব (ইএসডব্লিউ) এর মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যাংক ও ব্যক্তির জমানো অর্থের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের জন্য সুইজারল্যান্ডের এফআইইউ'কে (ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট) অনুরোধ করা হয়।

তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য পায়নি বাংলাদেশ। অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধ, অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য বিএফআইইউ বিদেশি ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটগুলোর সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে। তবে বিশ্বব্যাপী এ সব তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম হলো এগমন্ড সিকিউর ওয়েব (ইএসডব্লিউ)। ২০১৩ সালের জুলাইতে ইএসডব্লিউ’র সদস্য হওয়ার পর চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ৬৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য চায় বাংলাদেশ। ইএসডব্লিউ’র মাধ্যমে সুইজারল্যান্ডের এফআইইউ'কে এ তথ্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিন্তু একজন ছাড়া অন্যদের বিষয়ে কোনও তথ্য নেই বলে জানায় সুইজারল্যান্ড। আর এই একজনের তথ্য দুদককে দিয়েছে বিএফআইইউ। দুদক জানায়, সবশেষ তিনবারের চেষ্টায় সুইস ব্যাংক থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। হাইকোর্ট বলে, দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের চেষ্টার পরও যেহেতু সুইস ব্যাংক থেকে অর্থপাচারকারীদের তথ্য পাওয়া যায়নি, সুতরাং সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য প্রত্যাহার করা ছাড়া উপায় নেই। বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের দ্বৈত বেঞ্চে হাইকোর্ট বলে, দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের তথ্যের সাথে, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য সাংঘর্ষিক। তার বক্তব্যের কারনে বিব্রতকর অবস্থা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে রবিবার (২৮ আগস্ট) আদেশ দেবে হাইকোর্ট।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম