ঢাকা ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা হাম উপসর্গে আজ আরও ৭ মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ৩ দিনের ছুটি পে-স্কেল নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পিএস পদে বিচারকের বৈধতা জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া তথ্য দ্রুত ছড়ায়: ডা. জাহেদ জাপান থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড সাতক্ষীরা সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১ তাহসিফের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলেছে যমুনা নদীর পানি, নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২২ মে, ২০২২,  6:58 PM

news image

অতিবর্ষণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলেছে যমুনা নদীর পানি। এতে করে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। একই সঙ্গে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র নদী-ভাঙন। রোববার (২২ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় ৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বর্তমানে বিপৎসীমার মাত্র ১ দশমিক ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে পানি বৃদ্ধির কারণে নদী-তীরবর্তী অঞ্চল কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর, এনায়েতপুর ও চৌহালীতে নদী-ভাঙন দেখা দিয়েছে।

ভাঙনে ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে জেলার চৌহালী, শাহজাদপুর, কাজীপুর ও এনায়েতপুরে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। এতে করে বন্যার আশঙ্কা করছে শহরবাসী। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাসির উদ্দিন বলেন, সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধসহ সব এলাকাতেই যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আরও ২ থেকে ৩ দিন এভাবেই পানি বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদি এভাবেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে যমুনার পানি প্রবাহিত হবে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীতে পানি বাড়ার কারণে নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। কিছু স্থানে নদী ভাঙন রয়েছে। তবে ভাঙন রোধে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভাঙন রোধে ৩০ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও ৯৬ হাজার জিও ব্যাগ এর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম