ঢাকা ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব নভেম্বরের মধ্যে বন্ধ ৩ সার কারখানা চালুর উদ্যোগ সরকারের চারুকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন জিয়াউল হক জিয়া জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী কড়া নিরাপত্তায় রূপপুর পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও এক চালান এবার সংগ্রাম ও মাতৃত্বের গল্পে দেখা যাবে পরীমনিকে এনসিটিবির ৯ কর্মকর্তাকে বদলি ইসরায়েলে ভোটের লড়াই : নেতানিয়াহুর সামনে কঠিন সমীকরণ, ক্ষমতা হারানোর শঙ্কা ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৪৩, মামলা ৩৮ সাগর-রুনি খুন: তদন্তে টাস্কফোর্স নিয়ে হাইকোর্টে আদেশ আজ

সাগর-রুনি খুন: তদন্তে টাস্কফোর্স নিয়ে হাইকোর্টে আদেশ আজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ অক্টোবর, ২০২৬,  11:10 AM

news image

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে টাস্কফোর্স নিয়ে আজ মঙ্গলবার আদেশের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট মামলাটি কার্যতালিকার এক নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।


আদালতে এ হত্যা মামলায় বাদীপক্ষে থাকবেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির। রিটকারীর পক্ষে রয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।


এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্ত থেকে র‍্যাবকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে টাস্কফোর্স গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


তবে ৬ এপ্রিল উচ্চ আদালতে অবকাশকালীন ছুটি থাকায় এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। এরপর ২২ এপ্রিল, ২৩ অক্টোবর ও চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল তিন দফায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে আরও ছয় মাস করে সময় দেওয়া হয়। তার ধারাবাহিকতায় রিট আবেদনটি আবার কার্যতালিকায় ওঠে।


২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।


ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার এক কর্মকর্তা। একই বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর।


দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব)। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি।


এদিকে, এ মামলায় বাদীপক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আইনজীবী শিশির মনিরকে নিয়োগ দেওয়া হয়।


২০১২ সালে হত্যাকাণ্ডের পর তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তার নিয়ে জনস্বার্থে রিট করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ। সেই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি জারি করা রুলে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের খুনিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চান হাইকোর্ট।


আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, সাগর-রুনি মামলার তদন্ত সঠিকভাবে করা এবং আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য ২০১২ সালে তারা একটি রিট দায়ের করেছিলেন। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেছিলেন। রুলে সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত করে আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের পৃথক একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্ত র‍্যাবের কাছে চলে যায়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত এই মামলার চূড়ান্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম