ঢাকা ০২ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অনৈতিক প্রস্তাবে অতিষ্ঠ হয়ে রুমমেটকে ৭ টুকরা, পুলিশের লোমহর্ষক বর্ণনা হরমুজ প্রণালি বন্ধ, যে প্রভাব পড়বে বলছেন বিশ্লেষকেরা ব্যবসায়ীর বাসায় গুলির ঘটনায় জড়িতদের ‘চিহ্নিত করা গেছে’ করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভ-সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৯ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: প্রবাসীদের খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে ৯৭৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, তালিকা প্রকাশ ইরানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অর্থমন্ত্রী রিজিকের সঙ্গে শেষ দেখা হলো না মা ইকরার এবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধান নিহতের তথ্য নিশ্চিত করল ইরান

রিজার্ভ ছাড়াল ২১ বিলিয়ন ডলার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪,  11:47 AM

news image

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ বেড়ে ২১ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দায় পরিশোধের ফলে রিজার্ভ কমলেও রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ওপর ভিত্তি করে তা আবারও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নিয়ম অনুযায়ী বর্তমান রিজার্ভ ২১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে তা ২৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা জানান, রিজার্ভে বিদেশি অনুদান যোগ হয়েছে। এছাড়া রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো বেড়েছে। এসব কারণে রিজার্ভ বেড়েছে। এর আগে গত ১১ নভেম্বর আকুর মাধ্যমে আমদানি পণ্যের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের পাওনা বাবদ ১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করে বাংলাদেশ। এর ফলে রিজার্ভ কমে ১৮ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম-৬) নেমে যায়। গত এক মাসে বৈদেশিক মুদ্রার এই সঞ্চয় বাড়তে বাড়তে এখন তা ২১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। তবে বিপিএম-৬ ও নিজস্ব হিসাবের বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে। সেটি হলো ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। যেখানে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসেবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়। এ তথ‌্য শুধু আইএমএফকে দেয় কেন্দ্রীয় ব‌্যাংক। সেই হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ ১৫ বিলিয়ন ডলার। প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার হিসাবে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি দায় মেটানো যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভের তিনটি হিসাব সংরক্ষণের মধ্যে প্রথমটি হলো বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভ। মোট রিজার্ভের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সহজ শর্তের ঋণসহ কয়েকটি তহবিল। দ্বিতীয়টি হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবায়ন পদ্ধতি, অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত তহবিল বা ঋণের অর্থ বাদ দিয়ে একটি তহবিল। এর বাইরে তৃতীয় হিসাবটি হলো ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুইবার ১৯ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। সেসময় বৈদেশিক ঋণ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়ানো হয়। বর্তমান সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। আবার বিভিন্ন সোর্স থেকে ডলার যোগ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এর ধারাবাহিকতায় ক্রমেই বাড়ছে রিজার্ভ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম