ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম
সোনারগাঁয়ে ছাত্রদলের উদ্যোগে ৩১ দফা বাস্তবায়নে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সম্পৃক্ত হবে না সেনাবাহিনী: আইএসপিআর ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে: বাণিজ্য উপদেষ্টা ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন: ১০ দফা ইশতেহার ঘোষণা ছাত্রদলের আবাসিক হোটেল থেকে টিকটকার মাহি আটক ডিআরইউতে অবরুদ্ধ লতিফ সিদ্দিকীকে বের করে নিয়ে গেল পুলিশ বুয়েটের সব পরীক্ষা স্থগিত বিশ্বে প্রথম কার্যকর এইডস টিকা তৈরি করছে রাশিয়া চার দিনে ৪৬ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নিয়ে ফের আপিলের অনুমতি দিলেন সুপ্রিম কোর্ট

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ আগস্ট, ২০২৫,  11:29 AM

news image

দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আবারও আপিলের অনুমতি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে আপিল শুনানির জন্য আগামী ৪ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।  আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। ৬৯ আইনজীবীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। এছাড়া, রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। এর আগে, গত ৩০ জুলাই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার ক্রম নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষ হয়। গত ২৭ এপ্রিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের শুনানি শুরু হয়। গত ৯ জানুয়ারি দেশের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার ক্রম ঠিক করতে আপিল বিভাগে দ্রুত রিভিউ শুনানির আবেদন করে বিচারকদের সংগঠন জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের আপিল বিভাগে আইনজীবী ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর এ আবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে আবেদন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা। এছাড়া, ৬৯ আইনজীবীর পক্ষে আবেদন করেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম ঠিক করে রায় দেন আপিল বিভাগ। যার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয় ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর। সেই রায়ে বলা হয়, 

১. সংবিধান যেহেতু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন, সেহেতু রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমের শুরুতেই সাংবিধানিক পদাধিকারীদের গুরুত্ব অনুসারে রাখতে হবে।

২. জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় সদস্যরা রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমের ২৪ নম্বর থেকে ১৬ নম্বরে সরকারের সচিবদের সমমর্যাদায় উন্নীত হবেন। জুডিশিয়াল সার্ভিসের সর্বোচ্চ পদ জেলা জজ। অন্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরে সচিবরা রয়েছেন।

৩. অতিরিক্ত জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় সদস্যদের অবস্থান হবে জেলা জজদের ঠিক পরেই, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমের ১৭ নম্বরে।

রায়ে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম কেবল রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে। নীতি নির্ধারণী ক্ষেত্র বা অন্য কোনো কার্যক্রমে যেন এর ব্যবহার না হয়।

প্রসঙ্গত, রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ১৯৮৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে তৈরি করে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হয়। ২০০০ সালে এটি সংশোধন করা হয়। সংশোধিত এ ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব আতাউর রহমান। ওই রিটের ওপর ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ওই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে বাতিল করে আট দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম