ঢাকা ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু গ্যাস সংকট কাটাতে ১৫০ কূপ খনন ও ৩ এলএনজি টার্মিনালের পরিকল্পনা গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের: তথ্যমন্ত্রী নতুন নামে যাত্রা শুরু করল র‍্যাব সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু সর্বোচ্চ অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প চাকরি ফিরে পেতে ঢাকায় বিজিবির চাকরিচ্যুত সদস্যদের অবস্থান কর্মসূচি চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুইজনের মৃত্যু পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের লেখা অভিনেত্রী বাঁধনের বাসায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যমুনায় তিন দফা পানি বৃদ্ধিতে ৫ কোটি টাকার ফসল নষ্ট

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩,  5:00 PM

news image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জে তিন দফায় যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ করতোয়া, ফুলজোড়, ইছামতি, হুড়া সাগর ও বড়াল নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। এর ফলে নিম্নাঞ্চলসহ সব ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এতে এ জেলার ২০৪ হেক্টর জমির প্রায় ৫ কোটি টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে তিন দফায় পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত হয় সিরাজগঞ্জের নিম্নাঞ্চল। যমুনা নদী চর অধ্যুষিত সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর এবং চলবিল অধ্যুষিত তাড়াশ ও উল্লাপাড়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার অন্তত ৪২টি ইউনিয়নের ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এতে ক্ষতি হয় কৃষি ও কৃষকের। রোপা আমন, বোনা আমন, আমনের বীজতলা, আগাম শীতকালীন সবজি, আউশ, মাসকালাই, কলা ও আখসহ বেশ কয়েকটি ফসলের বেশি ক্ষতি হয়। চলতি বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাজিপুর উপজেলার ফসল। এক উপজেলাতেই ১১১ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এ সব জমি প্রস্তুত করা, বীজ লাগানো, সার ও কীটনাশক কিনে জমিতে দেওয়া এবং শ্রমিক বাবদ প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। জেলার ৪ হাজার ১৫১ জন ফসল তলিয়ে যাওয়ায় মূলধন সংকটে পড়েছেন কৃষকেরা, এমনই বলছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) বাবলু কুমার সূত্রধর বলেন, চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর দুই মাসে দফায় দফায় যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বেড়ে ৯৫২ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এর মধ্যে ২০৪ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে। আশা করি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম