ঢাকা ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিলেন তারেক রহমান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা শপথ নিলেন ২৫ মন্ত্রী জাত ভিন্ন হওয়ায় নির্যাতন : চিরকুট লিখে গৃহবধূর আত্মহত্যা তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন ২৫ পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী ফেনী জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি ১০ টি, জামায়াত ৪ টি পদে বিজয়ী রমজানে মেট্রোরেল চলাচলের নতুন সময়সূচি প্রকাশ শপথ নিল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য প্রস্তুত ৪৫ গাড়ি সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান

যমুনায় তিন দফা পানি বৃদ্ধিতে ৫ কোটি টাকার ফসল নষ্ট

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩,  11:00 AM

news image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জে তিন দফায় যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ করতোয়া, ফুলজোড়, ইছামতি, হুড়া সাগর ও বড়াল নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। এর ফলে নিম্নাঞ্চলসহ সব ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এতে এ জেলার ২০৪ হেক্টর জমির প্রায় ৫ কোটি টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে তিন দফায় পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত হয় সিরাজগঞ্জের নিম্নাঞ্চল। যমুনা নদী চর অধ্যুষিত সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর এবং চলবিল অধ্যুষিত তাড়াশ ও উল্লাপাড়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার অন্তত ৪২টি ইউনিয়নের ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এতে ক্ষতি হয় কৃষি ও কৃষকের। রোপা আমন, বোনা আমন, আমনের বীজতলা, আগাম শীতকালীন সবজি, আউশ, মাসকালাই, কলা ও আখসহ বেশ কয়েকটি ফসলের বেশি ক্ষতি হয়। চলতি বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাজিপুর উপজেলার ফসল। এক উপজেলাতেই ১১১ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এ সব জমি প্রস্তুত করা, বীজ লাগানো, সার ও কীটনাশক কিনে জমিতে দেওয়া এবং শ্রমিক বাবদ প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। জেলার ৪ হাজার ১৫১ জন ফসল তলিয়ে যাওয়ায় মূলধন সংকটে পড়েছেন কৃষকেরা, এমনই বলছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) বাবলু কুমার সূত্রধর বলেন, চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর দুই মাসে দফায় দফায় যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বেড়ে ৯৫২ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এর মধ্যে ২০৪ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে। আশা করি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম