ঢাকা ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বসন্তের শুরুতেই সাতক্ষীরায় গাছে গাছে আমের মুকুল, বাম্পার ফলনের আশা কাল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিচ্ছেন তারেক রহমান ত্রয়োদশ সংসদের ৮৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ উচ্চ ডিগ্রিধারী: টিআইবি সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫ বাংলাদেশি গাইবান্ধায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবদল কর্মীর আঙুল বিচ্ছিন্ন আসামিকে ধরতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু চৌদ্দগ্রামে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে মিলল শিশুর মরদেহ মন্ত্রিপরিষদের নতুন সচিব হলেন ড.নাসিমুল গনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীদের আয়ে পরিবারে ফিরছে স্বস্তি

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২০ নভেম্বর, ২০২২,  3:45 PM

news image

শেরপুরের নকলা উপজেলার মাটি যেকোন মৌসুমী ফল চাষের জন্য উপযোগী। তাই এখানকার কৃষকরা মৌসুমী ফল চাষে ঝুঁকছেন এবং সফল হচ্ছেন। তারা এই মৌসুমী ফলের আয়ে এবং লাভের টাকায় তাদের সংসার ও ছেলে মেয়ের শিক্ষা খরচ চালান। কয়েকজন মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়- তারা দীর্ঘদিন ধরে সারা বছর বিভিন্ন মৌসুমী ফলের ব্যবসা করে আসছেন। এর মধ্যে জলপাই, জাম্বুরা, আমড়া, আম, কাঁঠাল, বেল, জাম উল্লেখযোগ্য। মৌসুমের শুরুতেই তারা বাড়ী বাড়ী ঘুরে অগ্রীম টাকা দিয়ে অপেক্ষাকৃত কম দামে গাছ মালিকদের কাছে চুক্তিতে ফলসহ গাছ কিনে রাখেন। এসব ফল পরিপক্ক হলে গাছ থেকে পেড়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বিক্রি করেন তারা। তারা জানান, মাসে অন্তত ৮ থেকে ১০ বার ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ট্রাকে করে মৌসুমী ফল সরবরাহ করেন।

তাদের দেয়া হিসাব মতে, বছরে অন্তত শত’বার বিভিন্ন ফলের চালান পাঠানো সম্ভব হয়। প্রতিচালানে এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা করে তাদের লাভ থাকে। এতে করে প্রতি পাইকারের বছরে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ হয়। এ লাভের টাকাতেই চলে তাদের সংসার ও ছেলে মেয়েদের শিক্ষা খরচ। মৌসুমী ফল ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ মিয়া জানায়- তাদের মূলধন কম থাকায় তারা ৩ জনে মিলে যৌথভাবে ব্যবসা করেন। এবছর তারা প্রত্যেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন। এরমধ্যে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে অন্তত ২৫ টি গাছের জলপাই চুক্তিতে কিনেছেন। এইসব গাছের জলপাই গাছ থেকে পেড়ে ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছাতে আরও ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হবে বলে তিনি জানান। তবে মৌসুম শেষে এই ৩০ হাজার টাকার জলপাইয়ের একমাসের ব্যবসাতে তাদের ৪০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা লাভ হবে বলে তিনি আশা করছেন। মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীরা জানান, সরকার যদি সহজ ঋণে তাদের জন্য ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করে তাহলে তাদের দেখা দেখি অনেকে এ ফলের ব্যবসা করে আত্ম নির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী হতে পারবেন। ফলে কিছুটা হলেও বেকারত্ব কমবে বলে মনে করছেন অনেকে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আঃ ওয়াদুদ জানান, নকলার মাটি জলপাইসহ যেকোন মৌসুমী ফল চাষের জন্য উপযোগী। এসব গাছের জলপাই বেশ বড়, সুন্দর ও সুস্বাদু; তাই দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখানে উৎপাদিত জলপাইয়ের বেশ চাহিদা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফল চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের নিয়মিত উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ সেবা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম