ঢাকা ২২ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
রামিসা হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দ্রুত দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু সৌদি পৌঁছেছেন ৭৫ হাজার ৫৩০ বাংলাদেশি হজযাত্রী দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল, ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরছেন সেনাসদস্যরা: সেনাপ্রধান স্থানীয় নির্বাচনে যাতে সহিংসতা না হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য: সিইসি পাসপোর্টে ফিরছে 'ইসরায়েল ব্যতীত', বড় পরিবর্তন আসছে জলছাপেও শিশু নির্যাতন নিয়ে কড়া বার্তা মির্জা ফখরুলের অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ দীর্ঘ ছুটিতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নৌপথে ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে যেসব প্রস্তুতি সরকারের

মুন্সীগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস আজ

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১১ ডিসেম্বর, ২০২৫,  11:11 AM

news image

১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর ভোরে মুক্তিযোদ্ধাদের জয় বাংলা স্লোগানে আর বিজয় মিছিলে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে চারদিক। পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী ও ইছামতি বিধৌত মুন্সীগঞ্জ জেলা শত্রুমুক্ত হয়। জেলার সর্বত্র আনন্দ-উল্লাসের পাশাপাশি শুরু হয় হারানো স্বজনদের খোঁজার পালা। কেউ জীবিত পান স্বজনদের, আবার কেউ চিরতরে হারান আপনজনদের। কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর সদর উপজেলার পঞ্চসারে বর্তমানে আনসার ক্যাম্পের কাছে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর চুড়ান্ত যুদ্ধ হয়। পাক সেনাদের তিনটি বড় দলের বিরুদ্ধে সহস্রাধিক মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধে অংশ নেন। সেদিন ধলেশ্বরী নদীতে থাকা গানবোট থেকে মর্টার সেলিং করছিল পাক সেনারা। মিত্র বাহিনীর বিমানবহর এসে পড়লে পাক সেনারা পিছু হটে।  পরে মিত্রবাহিনীর আক্রমণে পাক সেনাদের গানবোট বিধ্বস্ত হয়। দুই পক্ষের সংঘাতে ১৪-১৫ জন স্থানীয় নিরীহ মানুষ মারা যান। এতে চারজন পাকিস্তানি সেনা ও তিনজন রাজাকার নিহত হয়। এরপর ১০ ডিসেম্বর রাত ৩টার দিকে ঘন অন্ধাকার আর প্রচণ্ড শীতে হানাদার বাহিনী হরগঙ্গা কলেজ ক্যাম্পের মধ্যে কোণঠাসা হয়ে পড়ে। হরগঙ্গা কলেজে ছিল হানাদার বাহিনীর প্রধান ক্যাম্প। নির্যাতন-হত্যা ছাড়াও অসংখ্য নারী সম্ভ্রম হারায় এখানে। ক্যাম্পে বসেই নীলনকশা করে ক্যাপ্টেন সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন হানাদার বাহিনী।  সেদিন ভোর হওয়ার আগেই কলেজের সুরক্ষিত দূর্গ থেকে হানাদার বাহিনী মুন্সীগঞ্জ থেকে পালিয়ে যায়। পরে মুক্তিযোদ্ধারা কলেজে গিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় জেলা শহরসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে দেখা দেয় বিজয়ের উল্লাস। দিনটি উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ড ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম