ঢাকা ১২ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কমিউনিটি ব্যাংক ও সফটওয়্যার শপ লিমিটেডের কৌশলগত চুক্তি ‘ইজি ট্রেড’ প্ল্যাটফর্মে সমন্বিত ও নিরাপদ ট্রেড মডিউল বাস্তবায়ন রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রতিবাদে বিরোধীদলের ওয়াকআউট মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন: ইরান সরকার পতনের ঝুঁকিতে নেই খালেদা জিয়াসহ বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব সময়মতো বেতন-বোনাস পাচ্ছেন পোশাক শ্রমিকরা: বিজিএমইএ ফিরতি ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু ১৩ মার্চ জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে পান্ডিয়ার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে ১১০০ এর বেশি শিশু হতাহত: ইউনিসেফ মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান রপ্তানিতে নগদ প্রণোদনার অর্থ আর ঝুলে থাকবে না: গভর্নর

মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন: ইরান সরকার পতনের ঝুঁকিতে নেই

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১২ মার্চ, ২০২৬,  3:22 PM

news image

গত ১২ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পরও ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র সরকারের পতনের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। ইরানে যুদ্ধ এবং সরকারের পতনের বিষয়ে অন্তত চারজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলা শুরুর পর সাধারণ জনগণের মধ্যে সরকার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি গত ডিসেম্বর-জানুয়ারির সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রহণযোগ্যতাকে পুনর্গঠন করেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের সূচনা ঘটে ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে। এরপর ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিন ধরে চলা পরমাণু সংলাপ সমঝোতা ছাড়া শেষ হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে, সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালায়। যুদ্ধের প্রথম দিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪০ জন শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারও রয়েছেন। গত বছরের শেষ দিকে ইরানে তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলন হয়, যা ১৫ হাজারের বেশি প্রাণহানির মধ্যে দিয়ে দমন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতেও ইরানের ক্ষমতাসীন সরকার টিকে রয়েছে। সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়, এবং আইআরজিসির শূন্যপদগুলোও দ্রুত পূরণ করা হয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ইসরায়েল ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র সরকার টিকে থাকুক না চাইলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ মুহূর্তে স্থলবাহিনী প্রেরণের পরিকল্পনা করেননি। মার্কিন গোয়েন্দারা কুর্দি বিদ্রোহী বাহিনীকে আইআরজিসির ওপর আক্রমণে ব্যবহার করার সম্ভাবনা বিবেচনা করলেও, কুর্দি বাহিনীর সক্ষমতা ও গোলাবারুদের পরিমাণ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ইরানের কুর্দি রাজনৈতিক দল কোমালা পার্টি ও অন্যান্য কুর্দি দলগুলোর নেতা আবদুল্লাহ মোহতাবি জানিয়েছেন, লক্ষাধিক কুর্দি যোদ্ধা আইআরজিসির সঙ্গে লড়াই করতে প্রস্তুত। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি চান না কুর্দি বাহিনী ইরাকে সীমান্ত পেরিয়ে ইরানে প্রবেশ করুক। রয়টার্স হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম