ঢাকা ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডবে ভারতে ৫ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২ ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আনার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসি: সিইসি বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দেয়া হয়েছিল: রিজভী মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের ৩১ অক্টোবর থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু মেট্রোরেলের দুই প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান হাসপাতালের দালাল চক্র ফ্যাসিস্ট সরকারের সৃষ্টি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩৬ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে সীমিত পরিসরে শুরু চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন: রাশেদ খাঁন

মাথা গোঁজার ঠাইটুকু বাঁচাতে স্বামী পরিত্যক্তা ৪ সন্তানের জননীর আকুতি

#

১৩ মার্চ, ২০২২,  10:21 PM

news image

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুরে স্বামী পরিত্যক্তা ৪ সন্তানের অসহায় জননী ছুফিয়া খাতুনের মাথা গোঁজার ঠাই না থাকায় সরকারি ভাবে বন্দবস্ত দলিল মূলে ৮ শতাংশ জমি তার নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়া হলেও মাথা গোঁজার ঠাই টুকু জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কেড়ে নিতে চাইছে একটি প্রভাবশালি মহল। এমন অভিযোগে রবিবার সকালে রাজাপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার কানুদাসকাঠি এলাকার লাল মিয়া আকনের স্ত্রী ছুফিয়া খাতুন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি স্বামী পরিত্যক্তা ৪ সন্তানের জননী। স্বামী পরিত্যক্তা হওয়ার পরে স্বামীর থেকে আমার এবং সন্তানদের ভরন পোষণের খরচ ও প্রাপ্য সম্পত্তি থেকেও বঞ্চিত হয়েছি।

নিরুপায় হইয়া মাথা গোঁজার ঠাইয়ের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর ভুমিহীন সম্পত্তির জন্য আবেদন করলে ২০১২ সালে সরকারি ভাবে বন্দবস্ত দলিল মূলে ৮ শতাংশ জমি আমার নামে রেজিস্ট্রি করে সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করিয়া দেয় উপজেলা প্রসাশন। বন্দবস্ত দলিল মূলে আমার জমি ভোগদখল শুরু করা থেকেই প্রতিপক্ষ আমির হোসেন মাষ্টার, ফারুক সিকদার, আমির হোসেন হাং, সেকান্দর আলী, করিম হাং,নিরুল হাং, হারুন অর রশিদ ও তার স্ত্রী ফেরদৌসি আক্তার এবং মোকলেছ হাং আমি ও আমার ছেলেদের উপরে হামলা, মামলা, লুটপাট শুরু করে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ আমার জমি থেকে আনুমানিক ১ লক্ষ টাকার গাছ কেটে নিয়ে যায় তারা। যাহার মামলা চীপ জুডিসিয়াল এ নন জিয়ার ৪১/২০(রাজা) চলমান। এরপরে প্রতিপক্ষরা একটি জাল কাগজ বানিয়ে ফেরদৌসি ও হারুনকে দিয়ে রাজাপুর সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা করেন যার নাম্বার-৪৯/২০। মামলা করে তারা আমার জমির উপরে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আনেন। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত তাদের কাগজ পত্রে অসংগতি দেখে আমার পক্ষে রায় প্রদান করেন। তারপরে প্রতিপক্ষরা মোকাম ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতে মিস আপিল (নং-০১/২০২১) করেন। এই মামলায় জেতার জন্য প্রতিপক্ষরা জালজালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া দাগ, খতিয়ান ব্যবহার করে । আমার নাম ছুফিয়া খাতুন, আমার পিতার নাম ইমান উদ্দিন হাওলাদার, এবং আমার ননদের নাম ছুফিয়া বেগম ও তার বাবা এবং আমার শ্বশুরের নাম ইমান উদ্দিন আকন। নামের কিছুটা মিল থাকার কারনে আমির হোসেন মাস্টার ও ফারুক সিকদার আমার ননদের অজান্তে তার কাগজ ব্যবহার করে আমাকে তার জমির মালিক দেখিয়ে জেলা প্রশাসকের বরাবর দরখাস্ত দিয়ে রাজাপুর সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবর তদন্তের ভার আনেন। যাহাতে আমার সরকার থেকে পাওয়া জমিটির দলিল বাতিল হয়।  আমার ছেলে ওবায়দুল আকন রনিতে তার দাদাী ও সৎ মা এবং সৎ মামা’রা কিছু জমি লিখে দেয়। কিন্তু সেই জমিটিও ফারুক সিকদার ও আমির হোসেন মাষ্টার দখল করে নেয়।  আমার অসহায়ত্বের কথা আমি দেশেরতœ মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী,উর্ধতন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানাতে চাই। যাহাতে আমি এই খারাপ লোকদের হাত থেকে বাঁচতে পারি আর বাচাতে পারি আমার মাথা গোজার ঠাইটুকুকে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম