ঢাকা ০৪ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নয়, জনগণের সুরক্ষার জন্যই সাইবার সিকিউরিটি আইন’ ভুয়া ফেসবুক পেজ বন্ধে মাউশির ৭ দিনের আলটিমেটাম ভিসা থাকলেই ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না বিদেশিরা: দিল্লি হাইকোর্ট সৌদিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের হামলার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ দেশের সব প্রতিষ্ঠানই বিধ্বস্ত: জামায়াত আমির ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিজ দেশ জিম্বাবুয়েতে ফিরেও কাটছে না দুর্ভোগ

মন চাইছে আত্মহত্যা করি : টেলিযোগাযোগমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ ডিসেম্বর, ২০২১,  9:24 PM

news image

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে হতাশা প্রকাশ করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়। মন্ত্রীর স্ট্যাটাসটি দেখে অনেকেই ব্যথিত হয়েছেন। অনেকে আবার হয়ে উঠেছেন বিচলিত। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার তার ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, ‘মন চাইছে আত্মহত্যা করি। একটি চেকে আমি ডিসেম্বর বাংলায় লিখেছি বলে কাউন্টার থেকে চেকটি ফেরত দিয়েছে। কোন দেশে আছি?’ বিষয়টি নিয়ে একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, পরিচিত একজনকে একটি বেয়ারার চেক দিয়েছিলেন তিনি। একটি ব্যাংকের এলিফ্যান্ট রোড শাখায় জমা দিলে ‘ডিসেম্বর’ বানানটি বাংলায় লেখা বলে চেকটি ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়। এতে মনোক্ষুন্ন হন মন্ত্রী। তিনি বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের ওই শাখার কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন। এরপর ব্যাংকের ওই শাখাটি পুনরায় চেকটি অনার করে। টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, আমার হিসাব ব্যাংকটির মতিঝিলের প্রিন্সিপাল শাখায়। আমি চেকে বরাবরই মাসের নাম বাংলায় লিখি। কিন্তু প্রিন্সিপাল শাখায় এ নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। এবারের চেকেও আমি তারিখটি লিখেছি ‘০২ ডিসেম্বর, ২০২১’। এটি ছিল বেয়ারার চেক। যাকে চেকটি দিয়েছি, তিনি ব্যাংকটির এলিফ্যান্ট রোড শাখায় জমা দিতে গিয়ে প্রথমে ব্যর্থ হন মাসের নাম বাংলায় লেখার কারণে। পরে আমি যোগাযোগ করায় চেকটি অনার হয়।’ সুখবর হলো অবশেষে চাপে পড়ে চেকটির কোনো পরিবর্তন ছাড়াই টাকা দেওয়া হয়েছে ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে। তারা জানিয়েছে আর কখনও এমন ভুল বা বাংলা হরফ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি হবে না।


ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার দেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানকে খাটো করতে এই স্ট্যাটাস দেইনি। ভাষার মর্যাদা রক্ষায় এটি করেছি। কারণ, বাংলাদেশই একমাত্র ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র। ভাষার জন্যই এই রাষ্ট্রের জন্ম। আগে প্রযুক্তিগত দিক থেকে বাংলা কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও এখন সেই অবস্থা নেই।’

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম