নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, 11:19 AM
মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন আজ, সংগ্রহ ৩ হাজার ১৪৪, জমা ১৬৬
১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমার সময় শেষ হচ্ছে আজ সোমবার। এদিন সকাল ৯টা থেকে সোমবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা। সারাদেশের ৩০০ আসনের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি জানায়, বোববার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মোট তিন হাজার ১৪৪টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৬টি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ এবার নিবন্ধিত ৫৭টি দলের ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। নিবন্ধন স্থগিত থাকায় অংশ নিতে পারবে না আওয়ামী লীগ। অবশ্য, রোববার দুইটি দল বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টিকে আদালতের আদেশে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। দলীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে দলীয় প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকা অথবা সাবেক সংসদ সদস্য হলেও চলবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় জামানত ৫০ হাজার টাকাসহ প্রয়োজনীয় দলিলাদি ও হলফানামা যুক্ত করতে হবে। মনোয়নপত্র জমাদানের সময় কোনোভাবে ৫ জনের বেশি ব্যক্তি উপস্থিত হতে পারবেন না। কোনো মিছিল ও শোডাউনেও রয়েছে মানা। ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় রয়েছে। এদিকে, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানের সময় এখন পর্যন্ত বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সব দল চাইলে মনোনয়নপত্র জমার সময় বাড়ানোর ইঙ্গিতও রয়েছে ইসির। জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ রোববার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, সোমবার মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। এখন যদি বড় দলগুলো অনুরোধ করে তাহলে ১/২ দিন বাড়ানোর বিষয়টি চিন্তা করা যেতে পারে। এটা কমিশনের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে হবে। তবে আমাদের এখনও কেউ অনুরোধ করেনি। সোমবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দলগুলোর দাবি এলেই তা কমিশনে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। সেক্ষেত্রে ভোটের তারিখ অপরিবর্তিত রেখে বাছাই, আপিল, নিষ্পত্তি, প্রত্যাহারের সময়ের মধ্যে দুই-একদিন সমন্বয় করে নিতে হবে, তবে তা পাঁচ সদস্যের ইসির সভায় সিদ্ধান্ত হতে হবে। এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, যদি কমিশন রাজি হয়, তখন দেখা যাবে। আইনটা তো মানুষের কল্যাণের জন্য, বড় দলগুলো যদি বলে সবার সুবিধার্থে তখন সব কিছু ঠিক রেখে দুয়েকদিন বাড়ানো যায় কিনা চিন্তা করতে হবে।