ঢাকা ২৭ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভারতের মেডিকেলে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক এমপি প্রাণ গোপাল হয়রানি নয়, ন্যায্যতার ভিত্তিতেই কর আদায় সরকারের উদ্দেশ্য: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: প্রধানমন্ত্রী ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান চরম গরমের কবলে ইউরোপ, স্পেনে মৃত্যু ৩২৭ বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক দেশে ফিরেই বাবা-মায়ের মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালন করলেন অভিনেত্রী ভাবনা বাড়ল ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ

বেসরকারি ক্লিনিকে গেলেই সিজার করিয়ে দেওয়া হয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ আগস্ট, ২০২৩,  3:49 PM

news image

বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালগুলোর কারণে দেশে সি-সেকশন (সিজার) নিয়ন্ত্রণে আসছে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ডেলিভারির রোগী বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালে গেলেই সিজার করিয়ে দেওয়া হয়, যদিও বেশিরভাগই অপ্রয়োজনীয়। এবিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। বুধবার (২ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন সি-সেকশনের হার ৭০ শতাংশ। বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালগুলোতে গেলেই সি-সেকশন করে দেওয়া হয়। এগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আমাদের দেশে এখনো ইনস্টিটিউশনাল ডেলিভারি অনেক কম। গ্রামাঞ্চলে ধাত্রীদের মাধ্যমে অসংখ্য ডেলিভারি হয়, যে কারণে এখনও মাতৃ ও শিশুমৃত্যু শূন্যের কোটায় আনা যাচ্ছে না। তবে আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। জাহিদ মালেক বলেন, আমরা প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারির সময়সীমা বাড়িয়েছি। আগে হাসপাতালে আট ঘণ্টা ডেলিভারি ছিলো, সেটাকে এখন ২৪ ঘণ্টায় নিয়ে এসেছি। এতে করে আশা করছি প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি আরও বাড়বে। মন্ত্রী বলেন, আমরা পরিবার পরিকল্পনায় ভালো কাজ করছি। দেশের যত অর্জন এর পেছনে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের অবদান বেশি। তাদের কারণেই ভ্যাকসিন হিরো অ্যাওয়ার্ড এসেছে, শিশু মৃত্যুর হার কমে এসেছে। তাদের কারণেই টিএফআর কমে এসেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের পপুলেশন গ্রোথ ১ দশমিক ২ শতাংশে আছে, যা পূর্বে ৩ শতাংশ ছিলো। পপুলেশন আমাদের জন্য বোঝা নয়। আমাদের পপুলেশন আছে বিধায় বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ। ইয়ং পপুলেশনকে লেখাপড়া, সুস্বাস্থ্য এবং তাদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিতে হবে। নারীরা প্রতিটি ক্ষেত্রেই এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নারীরা এখন ব্যাপক হারে পুলিশে-আর্মিতে চাকরি করছে। আইনজীবী হচ্ছে। বর্তমানে নারীরা সমাজে একটা অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। এটা প্রধানমন্ত্রী করে দিয়েছেন। অর্থনীতিতে নারীদের জন্য একটা সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। নারীরা ব্যবসায় ভালো করছে। গার্মেন্টসগুলোতে অধিকাংশই নারী। তারা দেশের অর্থনীতিকে ভূমিকা রাখছে। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতেও এখন নারীরা ভালো করছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নারী, বিরোধী দলের নেতা নারী, স্পিকারসহ বড় বড় জায়গাগুলোতে সবাই নারী। উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদে নারীদের জন্য কোটা দেওয়া হয়েছে। এসবের মাধ্যমে দেশে নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। জাহিদ মালেক বলেন, নারী ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চাইলে তাদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। তবে নারী ক্ষমতায়নে কিছু সমস্যাও আছে। দেশে এখনও ১৫ থেকে ২০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। সে জায়গাগুলোতে নারী ক্ষমতায়ন উপেক্ষিত হচ্ছে। বাল্যবিবাহ এখনও দেশে আছে। অল্প বয়সের একটা মেয়ের বিয়ের মাধ্যমে তার লেখাপড়া ও কর্মক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম