ঢাকা ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি ইআইআইএল-এর চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ প্রাইজবন্ডে সঞ্চয়কারীদের আগ্রহে ভাটা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছে তা লেখা নয়: প্রেস সচিব ফিক্সিংকাণ্ডে বিপিএলের আরও দুই কর্মকর্তা নিষিদ্ধ কুষ্টিয়ার বাজারে চালের কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের দেশ-বিদেশের সম্পদের তথ্য চাইল দুদক এসআই আলতাফ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেপালে বন্যায় সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা বালেন্দ্র শাহের নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক হিসাব দাখিল বাধ্যতামূলক করল ইসি এবার ৬-০ গোলে হারল বাংলাদেশ

বীরগঞ্জে আপেল বাগান দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষের ভিড়

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৯ মে, ২০২৪,  5:55 PM

news image

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে একটি বাগান কেন্দ্র করে এলাকাবাসী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। কারণ অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, এই অঞ্চলে প্রথমবারের মতো চাষ হচ্ছে আপেল। তাই প্রতিদিন দর্শনার্থীরা আপেল বাগান দেখতে এবং এই ফলের স্বাদ গ্রহণ করতেই ভিড় জমাচ্ছেন। আর এই ব্যতিক্রমী বাগান করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন কৃষিবিদ ইমরুল আহসান। তিনি বীরগঞ্জ পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর হর্টিকালচার সেন্টারের সহকারী উদ্যান উন্নয়ন কর্মকর্তা ও নিজের গবেষণা প্রতিষ্ঠান তাসনিয়া অ্যাগ্রো রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। উপজেলার সুজালপুর ইউনিয়নের বর্ষা গ্রামে অবস্থিত তাসনিয়া অ্যাগ্রো রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে তিনি কয়েক বছর হতে বিভিন্ন প্রজাতির বিদেশি আপেল চাষ ও গবেষণা করছেন।

তার চাষ করা বিদেশি আপেলের নিবিড় পরিচর্যা ও গবেষণায় এ বছর ২৫টি গাছের মধ্যে ১২টি গাছে থোকায় থোকায় এসেছে। গত বছরে ২টি গাছে ৫০টির মতো ফল আসে। কিন্তু এ বছর তার বাগানে ১৫ শতাধিক ফল ধরেছে, সেই সঙ্গে ফলনও হয়েছে বাম্পার। আপেল চাষ ও গবেষণায় তার প্রতিষ্ঠানে এই অঞ্চলের জন্য উপযোগী ৩টি জাত উৎপাদন করে সফল হয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে সামার রাম্বু, হরিমন ৯৯, আন্না, কাশমেরি। এই জাতগুলো ব্যাপকভাবে ফলন হয়েছে। ২০২১ সালের জুন মাসে আপেলের চারাগুলো রোপণ করেন। বর্তমানে গাছগুলোর বয়স ৩ বছর।

প্রতিটি গাছের উচ্চতা ৮ থেকে ১০ ফুট। তিনি জানান, দেশের অনুকূল আবহাওয়ায় আপেল চাষের জন্য তিনটি জাতে বেশকিছু হরমোনাল ট্রিটমেন্ট লাগে যেটা অনেকেই জানেন না, যার কারণে প্রচুর ফুল আসে কিন্তু ফল ধরে না, তাই আপেল ফল টেকানোর জন্য প্লানমাফিক সঠিক পুষ্টি উপাদান ও বেশকিছু হরমোনাল ট্রিটমেন্ট লাগে যার সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করতে পারলে এই অঞ্চলে আপেল উৎপাদন সম্ভব। প্রতিদিন অনেক মানুষ আপেল চাষ করার জন্য পরামর্শ নিচ্ছেন। তবে কেউ যদি আপেল চাষ করতে চায় তাহলে আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। আপেল বাগান দেখতে আসা দর্শনার্থী সাদেকুল ইসলাম জানান, আপেল আমাদের দেশে চাষ করা সম্ভব তা আমার আগে জানা ছিল না, তাই সপরিবারে স্বচক্ষে দেখতে আসলাম সত্যিই আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি। আমিও তার কাছে কয়েকটি জাতের আপেল চারা ক্রয় করে তার পরামর্শ নিয়ে আপেল চাষ করব।-সূত্র : কালবেলা 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম