ঢাকা ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
প্রাইজবন্ডে সঞ্চয়কারীদের আগ্রহে ভাটা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছে তা লেখা নয়: প্রেস সচিব ফিক্সিংকাণ্ডে বিপিএলের আরও দুই কর্মকর্তা নিষিদ্ধ কুষ্টিয়ার বাজারে চালের কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের দেশ-বিদেশের সম্পদের তথ্য চাইল দুদক এসআই আলতাফ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেপালে বন্যায় সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা বালেন্দ্র শাহের নির্বাচনী এজেন্টের ব্যাংক হিসাব দাখিল বাধ্যতামূলক করল ইসি এবার ৬-০ গোলে হারল বাংলাদেশ নওগাঁয় প্রথম ধাপে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন ১৭৮৫ জন

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার মেলামেশা, পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  4:51 PM

news image

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মাহমুদাবাদে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল ইমন মিয়াকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীর করা ধর্ষণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গেছে, কনস্টেবল ইমন উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর নগর এলাকার মাহে আলমের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত এবং দুই সন্তানের জনক। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে রায়পুরা থানায় একটি ধর্ষণের মামলা করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দেড় বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইমনের সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীর। এরপর তাদের মধ্যে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে ওই তরুণীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন ইমন। সম্প্রতি দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি দেখা দেয়। গত রোববার দুপুরে দেখা করতে প্রেমিকার বাড়িতে আসেন তিনি। পরে পুনরায় শারীরিক মেলামেশা করতে চাইলে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন ওই তরুণী। এ সময় বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা মিলে ইমনকে আটক করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইমন আমার সঙ্গে একাধিকবার মেলামেশা করেছে। এখন সে আমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। এ ঘটনায় আমি ইমনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছি। রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক আবদুল হালিম বলেন, ভুক্তভোগী তরুণীর মামলায় অভিযুক্ত ইমনকে প্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম