NL24 News
৩০ নভেম্বর, ২০২৫, 4:33 PM
বামনায় মিথ্যা ভীত্তিহীন সংবাদ প্রচার করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
বামনা উপজেলার বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের জাফ্রাখালী গ্রামের মৃত নুরুল হক হাওলাদার গংদের জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তার পুত্র মো. মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বরগুনা প্রেসক্লাবে গত ১০ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে তার ভাই ইউসুফ হাওলাদারের স্ত্রী আসমা বেগম। উল্লেখিত সংবাদের প্রতিবাদে মো. মজিবুর রহমান হাওলাদার আজ (৩০ নভেম্বর) রবিবার দুপুরে বামনা সাংবাদিকদের সাথে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান আমার পিতার দুই সংসার। আমরা ৩ ভাই ও ৬ বোন এবং আমার ছোট মা। আমাদের মাতা ও পিতা প্রায় ৩২ বছর পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন। তারপর থেকে আমরা প্রায় ২৮ বছর যাবৎ আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা করে যার যার অংশ ভোগ দখল করছি।
কিন্তু হঠাৎ করে আমার ভাই ইউসুফের স্ত্রী আসমা বেগম বরগুনা প্রেসক্লাবে আমার বিরুদ্ধে গত ১০ নভেম্বর একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেন। যাহা ২৪ নভেম্বর দৈনিক গ্রামনগর বার্তা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। যেখানে উল্লেখ আছে টাকার প্রভাবে তদন্ত প্রভাবিত করা, পারিবারিক ঐক্য বিনষ্ট করে সম্পত্তি এককভাবে ভোগ দখলের উদ্দেশ্যে নিয়মিত হুমকি প্রদান, অপপ্রচার এবং ভয়ভীতি দেখানো, আর্থিক, মানসিক ও সামাজিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত করা। উল্লেখিত বিষয়ে আমার কাছ থেকে আমার ভাই ও তার পরিবার কোন ধরনে ক্ষতিগ্রস্থ হয় নাই।
বরঞ্চ আমার স্ত্রী মমতাজ বেগম ১নং বুকাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ বারের নির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা সদস্য এবং আমি ১নং বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের সাবেক দফাদার হিসেবে কর্মরত ছিলাম, সব কিছু মিলে আমাদের মান সম্মনের হানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি ও আমার পরিবারের পক্ষ হতে উল্লেখিত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদ প্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তিনি আরো উল্লেখ করেন ১০ তারিখে সংবাদ সম্মেলন করে ১১ তারিখে বাড়ির বিভিন্ন জমি হতে মো. আনেছ খাঁ এবং মো. আল আমিন নামে দুইজন ব্যক্তির কু-পরামর্শ নিয়ে গাছের সুপারী সহ অনেক কিছু নিয়ে যায়।
আমার ভবিষ্যৎতে কোন প্রকার ক্ষয়ক্ষতি হলে মো. আনেছ খাঁ এবং মো. আল আমিন দায়বদ্ধ থাকিবে। এ ব্যাপরে জানতে চাইলে পূর্বের সালিশদার মো. ইউনুুস আলী বলেন, আমরা ২০২১ সালে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. সাইতুল ইসলাম লিটু মৃধাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে মৃত নুরুল হক হাওলাদার গংদের জমি অংশ হিসেবে ভাগ বাটোয়ারা করে দেই। কিন্তু বর্তমানে ইউসুফ হাওলাদার মজিবুর হাওলাদারের অংশের জমি জোর পূর্বক দখল করেছে। এ বিষয়ে আসমা বেগমের মুঠো ফোনে কল দিলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায় এবং স্থানীয় লোকজন জানান তিনি ঢাকায় আছে।