ঢাকা ১৭ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুর আগে মুসলিম বিশ্বের প্রতি যে বার্তা দিয়েছিলেন লারিজানি কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী ঈদে ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি যেতে পারবে মানুষ: সড়কমন্ত্রী ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে র‍্যাবের ৩ স্তরের নিরাপত্তা ঈদুল ফিতরেও বন্ধ থাকবে আল আকসা ঈদের দিন মেট্রোরেল চলবে কি না, জানা গেল চাপ বেড়েছে যমুনা সেতু মহাসড়কে, ২৪ ঘণ্টায় আয় ৩ কোটি টাকা কোনো অন্যায়ের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ নেই : আইজিপি জনগণের কল্যাণে কাজের মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করবে বিরোধীদল: জামায়াত আমির

বাবরি মসজিদ প্রকল্পে জমা পড়ল কত কোটি রুপি

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০ ডিসেম্বর, ২০২৫,  11:19 AM

news image

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর থেকেই অনুদানের প্রবাহ বেড়ে গেছে। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে বাবরি মসজিদের জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ চলছে। বর্তমানে ১১টি বাক্সে নগদ অর্থ, ৫০০ রুপির নোট থেকে খুচরা টাকা, এমনকি বিদেশি মুদ্রাও জমা পড়েছে। অনুদানের পরিমাণ এখন পর্যন্ত ৩ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। হুমায়ুন কবির জানান, অনেকে অনলাইনে অনুদান দিচ্ছেন, কেউ আবার সরাসরি নগদ অর্থ প্রদান করছেন। প্রতিদিনই তাঁর বাড়িতে টাকাপত্রের গোণা হচ্ছে, যা মসজিদ নির্মাণের জন্য ব্যবহার করা হবে। বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিনে (৬ ডিসেম্বর) দেশের জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়। পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে লোক সমাগম হয় এবং আশেপাশের এলাকা থেকে অনেকেই মাথায় ইট নিয়ে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠান থেকে হুমায়ুন কবির মমতা ব্যানার্জিকে হুঁশিয়ারি দেন।তিনি বলেন, মসজিদ তৈরিতে বাধা দেওয়া হলেও তিনি মাথা নোয়াবেন না এবং প্রয়োজনে শহিদ হয়ে যাবেন।  হুমায়ুন কবির বলেন, যেখানে দেশে মন্দির ও গির্জা নির্মাণের স্বাধীনতা রয়েছে, সেখানে মসজিদ নির্মাণের অধিকার থেকেও আমরা বঞ্চিত নই। সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করেছে যে, হিন্দুরা মসজিদটি ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু হিন্দুদের অনুভূতি সম্মান করে সেখানে মন্দির নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আমরাও সংবিধানের অধিকার অনুযায়ী মসজিদ নির্মাণ করব। উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরই অযোধ্যার বাবরি মসজিদটি করসেবকরা ভেঙে ফেলেছিলেন। এবার ঐতিহাসিক ওই দিনেই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, যা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম