ঢাকা ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে চোর ধরে গণপিটুনি, নিহত ২ ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপালের জামিন নামঞ্জুর এবার জাতীয় নারীশক্তির নতুন কমিটি রাজউকের সেবায় নতুন গতি, ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থেকে সরানো হলো আশরাফুলকে সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট আজ জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধের ৭ রায়ে ২৩ মৃত্যুদণ্ড, ১১ যাবজ্জীবন দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হলো সিডনির নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

বাড্ডায় সাবেক স্বামীর হামলায় প্রাণ গেল নারীর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ জুলাই, ২০২৬,  5:29 PM

news image

রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে ঝুমুর আক্তার (৩৮) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক স্বামী রেজাউলকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মধ্য বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্টের ১৪ নম্বর সড়কের একটি বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঝুমুরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত ঝুমুর আক্তারের বাড়ি বরিশাল জেলায়। তার বাবার নাম জাফর হাওলাদার।

স্বজনরা জানান, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ঝুমুর হোটেলকর্মী রেজাউলকে বিয়ে করেন। তাদের সংসার দুই থেকে তিন বছর স্থায়ী হয়। পরে দাম্পত্য কলহের কারণে প্রায় এক বছর আগে রেজাউলকে তালাক দিয়ে ঝুমুর বরিশালে চলে যান। সেখানে কিছুদিন পর তিনি এক প্রবাসীকে বিয়ে করেন।

ঝুমুরের দূর সম্পর্কের আত্মীয় মনিকা আক্তার জানান, কয়েক দিন আগে ঝুমুর বরিশাল থেকে ঢাকায় তার বর্তমান স্বামীর মিরপুরের বাসায় আসেন। তার স্বামী তখন দেশের বাইরে ছিলেন।

মঙ্গলবার সকালে ঝুমুর মধ্য বাড্ডায় মনিকার বাসায় বেড়াতে যান। বিকেলে মনিকা ও তার মা আজিফা বেগমকে নিয়ে এলাকায় ঘুরতে বের হন। এ সময় রেজাউল তাদের দেখে অনুসরণ করলেও বিষয়টি তারা বুঝতে পারেননি।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে মনিকাদের বাসার গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশের সময় রেজাউল পেছন থেকে এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঝুমুরকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন রেজাউলকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। ঘটনার কারণ ও বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত করছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম