ঢাকা ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি কুষ্টিয়ায় ৬ হত্যা: হানিফসহ ৪ আসামির রায় যেকোনো দিন শিশুদের সিরাপেও ভেজাল, উদ্ধার কোটি টাকার নকল ওষুধ চিকিৎসাসেবায় নতুন দিগন্ত, পুরোদমে চালু হচ্ছে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চলতি মাসে একদিনের ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি অনুমোদনের অপেক্ষায় রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র ফল কিনতে গিয়ে হিমশিম সাধারণ মানুষ দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরও পাবে ৩৫ লাখ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী

বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি নেই : বিশ্বব্যাংক

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ আগস্ট, ২০২২,  1:54 PM

news image

বহু বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কবলে পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো। এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলো মূল্যস্ফীতির তোপের মুখে পড়লেও বাংলাদেশ সুবিধাজনক জায়গায় আছে। কারণ গত জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ খাদ্য ঘাটতি অনুভব করেনি বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বিশ্বব্যাংকের ওয়াশিংটনের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সরকারের নেয়া পদক্ষেপের প্রশংসাও করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থাটি। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শ্রীলঙ্কায় খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮০ শতাংশ, পাকিস্তানে ২৬ শতাংশ ও বাংলাদেশে ৮ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ সরকার খাদ্য নিরাপত্তা মোকাবিলায় কৃষিনীতি সামঞ্জস্য করেছে। সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশ সরকার চাল আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে। এছাড়া কৃষি খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে, সারে ভর্তুকি বৃদ্ধির পাশাপাশি রফতানিকারকদের নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এশিয়ার অন্য দেশগুলোর বিষয়ে সংস্থাটি জানায়, সারের অভাব ও তাপপ্রবাহের কারণে পাকিস্তানে গম ও চালের উৎপাদন কিছুটা কমেছে। এছাড়া উল্লেখযোগ্য খাদ্য সরবরাহের ঘাটতিতে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কায় কৃষি উৎপাদন ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কম হয়েছে। সারের ঘাটতি ও খাদ্য আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রভাবে এ অবস্থা হয়েছে। সার ও জ্বালানির ঘাটতি খাদ্য সরবরাহকে আরও সীমিত করবে বলে আশঙ্কা বিশ্বব্যাংকের। তবে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত খাদ্যে কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। দেশটি ৪৪ হাজার টন ইউরিয়ার প্রথম চালান পেয়েছে। ভারতীয় চালের চাহিদা বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন টন।  

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম