ঢাকা ২১ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ডিআর কঙ্গোতে ইবোলায় আক্রান্ত ৭৫ স্বাস্থ্যকর্মী বিক্ষোভে উত্তাল কাশ্মীর, নিহত ২৪ বিএনপি কখনোই একদলীয় শাসনব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না: মির্জা ফখরুল টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ সরকারি চাকরিজীবীদের কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক আর নেই প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যেসব বিষয় গুরুত্ব পাবে টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু পেনশনে বড় সুখবর, বাড়বে আর্থিক সুবিধা মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বরিশালে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:57 AM

news image

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) অপহরণ করে বিভিন্ন স্থানে ৪দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শহিদুল শিকদার নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) এ ব্যাপারে ভিকটিমের বাবা বাদি হয়ে অভিযুক্ত শহিদুল শিকদারকে (৪২) আসামি করে দুপুরে গৌরনদী থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত শহিদুল শিকদার উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বড়দুলালী গ্রামের গিয়াস উদ্দিন শিকদারের ছেলে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গৌরনদী থানার এসআই আব্দুল হক জানান,

গত ২৭ আগস্ট সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে দশম শ্রেণির ছাত্রী (১৫) স্কুলে যাওয়ার পথে সকাল ৯টার দিকে বাউরগাতি  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছলে শহিদুল শিকদার বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে অপহরণ করে আশোকাঠি এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে ওইদিন রাতেই অপহৃত ওই স্কুলছাত্রীকে খুলনায় তার এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যায়। পরে সেখানে আটকে রেখে জোরপূর্বক ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে শহিদুল শিকদার। এরপর ভিকটিমকে ৩১ আগস্ট ঢাকা নিয়ে একটি বাসায় আটকে রাখে। সেখান থেকে ভিকটিম কৌশলে গত ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে পালিয়ে নিজ বাড়ি গৌরনদীতে আসে। বাড়ি ফিরে এসে ভিকটিম তার (ওই ছাত্রী) বাবা-মায়ের কাছে তাকে (ভিকটিম) অপহরণের পর বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ধর্ষণের  ঘটনার কথা  জানান।  এ ব্যাপারে ভিকটিমের বাবা বাদি হয়ে অভিযুক্ত শহিদুল শিকদারকে (৪২) আসামি করে গতকাল শুক্রবার দুপুরে গৌরনদী থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।  শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়ার জন্য ভিকটিমকে  বরিশাল আদালতে ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল হক জানান।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম