ঢাকা ০৮ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে বিল পাস সব উপজেলায় ‘মিড ডে মিল’ চালুর পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু টানা ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস সারা দেশে হামের টিকাদানে নতুন তারিখ ঘোষণা খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘চূড়ান্ত পরাজয়’ হয়েছে: রাশিয়া শেরপুর-৩ আসনে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও ফোর্সদের ব্রিফিংদিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র নিয়ে বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ আগস্ট, ২০২২,  10:23 AM

news image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর সমুদ্র বন্দরকে ৩নং স্থানীয় সর্তক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তবে, উড়িষ্যা উপকূল ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপটি একই এলাকায় রয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলায় নদ-নদীর পানির উচ্চতা ২ থেকে ৩ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা আছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।  পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী বিভাগের মধ্যে বরিশাল নগরী সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া বরিশালের পার্শ্ববর্তী জেলা ঝালকাঠীর বিষখালী নদীর পানি বিপদৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার, ভোলার দৌলতখানের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিনের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। অন্যদিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের বুড়িশ্বর ও পায়রা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।  বরগুনার বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটার বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এ ছাড়া পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ও উমেদপুরের কচা নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এদিকে দেশের বিভিন্ন জেলায় হালকা, মাঝারি বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম