ঢাকা ১৬ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৯, ডিবির জ্যাকেট ও হ্যান্ডকাফ উদ্ধার সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ করবে সরকার হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর দেশে-বিদেশে ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ ২ লাখ ৩০ হাজার কৃষকের ২২৬ কোটি টাকা ঋণ মওকুফ এই মৌসুমে সুস্থ থাকতে খেতে পারেন ৫ ভেষজ চা যে কারণে টাইটানিকের মতো সিনেমা বানাতে চান উর্বশী বিপৎসীমার ওপরে দেশের ৩ নদীর পানি দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীরা পাচার ও চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে

বকেয়া মজুরি ১১ হাজার টাকা করে পাবেন চা-শ্রমিকরা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ মার্চ, ২০২৩,  2:08 PM

news image

বকেয়া মজুরি হিসেবে চা-শ্রমিকরা জনপ্রতি ১১ হাজার টাকা করে পাবেন। রাজধানীর বিজয়নগর শ্রম ভবনে বাংলাদেশীয় চা সংসদ (মালিকপক্ষ) এবং বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বুধবার (১ মার্চ) রাতে বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান এ ঘোষণা দেন। পরে রাতেই শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ মামুন চৌধুরীর সই করা একটি পরিপত্র জারি করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়েছে, চা-শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি থেকে পরিশোধ-সংক্রান্ত বিষয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতি নিরসনে বাংলাদেশীয় চা সংসদ (মালিকপক্ষ) এবং বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের (শ্রমিকপক্ষ) সঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান মতবিনিময় করেছেন। তিনি চা-শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি থেকে জনপ্রতি ১১ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বলেন। এ অর্থ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ তিন কিস্তিতে পরিশোধ করবে জানিয়ে বলা হয়,

যার মধ্যে প্রথম কিস্তি আগামী ৭ মার্চের পূর্বেই পরিশোধ করতে হবে। বাকি দু’কিস্তি পরিশোধের সময় চা-শ্রমিক এবং মালিকপক্ষ আলোচনা করে নির্ধারণ করবেন। গত বছর ২৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চা -শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ১৭০ টাকা নির্ধারণ করে দেন। সেই সঙ্গে মজুরি নির্ধারণের পাশাপাশি বার্ষিক ছুটি, বেতনসহ উৎসব ছুটি, অসুস্থতা ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় আরও বলা হয়—চিকিৎসা ব্যয়ের চাঁদা মালিকপক্ষ বহন করবে। ভবিষ্যত তহবিলে নিয়োগকর্তার চাঁদা আনুপাতিক হারে বাড়বে। এ ছাড়া ভর্তুকি মূল্যে রেশন সুবিধা বাড়ানো হবে। চিকিৎসা সুবিধা, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের পেনশন, চা-শ্রমিকদের পোষ্যদের শিক্ষা বাবদ ব্যয়, রক্ষণাবেক্ষণ, গোচারণভূমি বাবদ ব্যয়, বিনামূল্যে বসতবাড়ি ও রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ শ্রমিককল্যাণ কর্মসূচি এবং বাসাবাড়িতে উৎপাদন বাড়বে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরদিন থেকেই চা-শ্রমিকরা বর্ধিত মজুরিসহ বর্ধিত অন্যান্য সব সুবিধাদি পেয়ে আসছেন। তবে শ্রমিকরা ২০২১ এর জানুয়ারি থেকে ২৭ আগস্ট ২০২২ পর্যন্ত সময়ের জন্য বর্ধিত মজুরির বকেয়া দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহী, অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আরিফ, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ মামুন চৌধুরী, বাংলাদেশীয় চা সংসদ চেয়ারম্যান শাহ আলম, মহাসচিব ড. মোজাফফর আহম্মদ, কামরান টি রহমান, চা-শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল, অর্থ-সম্পাদক পরেশ কালিন্দীসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম