ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ আগস্ট, ২০২৬, 2:37 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ আগস্ট, ২০২৬, 2:37 PM
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলট প্রকল্পে ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের বাস্তবতায় এ ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য এবং পাইলট প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাত করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আয়োজিত বাংলাদেশে ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু বলেন, ‘বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে। এটি শুধু বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর যৌথ অংশীদারত্বে একটি নতুন অর্থনৈতিক মডেলও গড়ে তোলা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘সরকার প্রাথমিকভাবে জরুরি সহায়তা প্রদান করে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা এবং অন্যান্য পুনর্বাসন কার্যক্রমে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কাজ করা এনজিও ও বেসরকারি খাতকে যুক্ত করা হচ্ছে। সরকারের সম্পদ পুনর্বণ্টনের সঙ্গে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সম্পদ ও সক্ষমতা যুক্ত করে সার্বিক পুনর্বাসন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের একার পক্ষে সব ধরনের সহায়তা সঠিকভাবে বিতরণ করা বড় চ্যালেঞ্জ। এতে দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ তৈরি হয়। তবে ডেলিভারি ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে যুক্ত করা হলে কাজের দক্ষতা বাড়ে এবং অপচয় ও দুর্নীতি কমে আসে। অনেক ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি বন্ধ করাও সম্ভব।’
বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত কোনো দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও দাবি করেন আমির খসরু। তিনি বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে, বন্যা-পরবর্তী এই কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত, আমার জানা মতে, কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি। পত্রপত্রিকায় বা অন্য কোথাও এমন কোনো অভিযোগও দেখিনি।’