ঢাকা ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি জামিন পেলেন আইভী রহমান টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ কালীগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে মিলল শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা ও সাহিত্যচর্চায় রাজনীতিকরণ সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয় : প্রধানমন্ত্রী ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় সব চাকরিপ্রার্থী বাদ রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত আইজিপির শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীকে লাল গোলাপ উপহার দিলেন শফিক রেহমান গুণীজনদের হাতে একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেসবুকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ২২ বছর পর বাবার খোঁজ পেলেন পাকিস্তানি তরুণী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:21 AM

news image

ছবি : সংগৃহীত

২২ বছর পর ফেসবুকের একটি গ্রুপের মাধ্যমে বাংলাদেশে অবস্থিত নিজ পরিবারের খোঁজ পেলেন তাহরিম রিদা নামে এক পাকিস্তানি তরুণী। বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৫৭ মিনিটে ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে রিদা একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। আমি এখানে আমার বাবার পরিবার খুঁজতে এসেছি।  আমার বাবা ১৯৮৭ সালে পাকিস্তান এসে আমার মাকে বিয়ে করেছিলেন। ২০০৪ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলাদেশের ফেনী থেকে এসেছিলেন। তার নাম ছিল মুহাম্মদ কাসিম আজাদ। আমার দাদার নাম তফাজুল হক, যিনি সম্ভবত আমার বাবার শৈশবে মারা গিয়েছিলেন। আমি আমার বাবার পরিবার সম্পর্কে খুব বেশি বা প্রায় কিছুই জানি না।’গ্রুপে তিনি চাচার একটি ছবি দিয়ে বলেন, ‘আবু সাদিক আমার বাবার বড় ভাই।

যদি কেউ এই পরিবার সম্পর্কে কিছু জানেন তবে আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করা যাবে। এটা আমার জন্য খুবই আনন্দের হবে যা আমি কখনো দেখিনি।’ রিদা পোস্টের আরও উল্লেখ করেন, ‘কলেজে বা বাইরে গেলে তার বাবার পরিচয় জানতে অনেকেই বিরক্ত করে। পিতৃপরিচয় না থাকায় অবহেলিত হতে হয়েছে ২২ বছর। তার বাবা পাকিস্তান থাকাকালীন তার মাকে বিয়ে করেন। পাকিস্তানে তার মাকে রেখে দেশে গেলে অসুস্থ হয়ে মারা যান। এরপর তার পরিবারের সঙ্গে আর পরিচয় হয়নি।’ রিদা পোস্ট দেওয়ার ২৩ মিনিটের মধ্যে বাবার পরিবারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শুধু তাই নয়, তার ফুপু এবং ফুপাত ভাইয়ের সঙ্গেও কথা হয়।  রিদার বাবার বাড়ি ফেনীর দাগনভূঁইয়ার ফাজিলের ঘাটে। তার বাবা দেশে এসে তার মাকে চিঠি পাঠাতেন। চিঠিতে উল্লিখিত ঠিকানা থেকেই ফেনী শব্দটি পায় রিদা। পরে গুগলে সার্চ করে জানতে পারে ফেনী একটি জেলা। পরবর্তীতে ফেনী সার্চ করে ‘আমাদের ফেনী’ নামক গ্রুপটি পায়। এরপর যাবতীয় ডিটেইলসসহ ফেসবুকে ইংরেজিতে পোস্ট করেন। এরপর ট্রান্সলেশন করে বাংলায় পোস্ট দেন অ্যাডমিন প্যানেল। পিতৃপরিচয় পেয়ে রিদা বলেন, ‘ফেনীর মানুষকে কী বলে ধন্যবাদ দেবো তা বলার ভাষা আমার নেই। আমাকে যারা খুঁজে পেতে সহায়তা করেছে সবাইকে আল্লাহ নেক হায়াত দান করুক। খুব শিগগিরই আপনাদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম