ঢাকা ১২ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ছেলে-মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন বাবা পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ বরগুনার তরুণ মোঃ সোহানুর রহমান সৈকত ফাইনালিস্ট হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ মৃত্যু সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে ভারত থেকে দেশে আসছে ১৯টি নতুন রেলবগি হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র: বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে ফের বোমাসদৃশ প্রেসারকুকার উদ্ধার, ঘটনাস্থলে ডিসপোজাল ইউনিট আ. লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা কানাডার সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর

ফারুককে নিয়ে গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ স্ত্রীর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ এপ্রিল, ২০২২,  11:22 AM

news image

ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা ও ঢাকা-১৭ আসনের এমপি আকবর হোসেন পাঠান ফারুক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। এসবের মধ্যেই হুট করেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শনিবার (৯ এপ্রিল) ছড়িয়ে পড়ে বর্ষীয়ান এ অভিনেতা মৃত্যুর খবর। প্রিয় অভিনেতার এমন সংবাদে বিচলিত হয়ে পড়েন নায়ক ফারুকের ভক্ত ও অনুরাগীরা। বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিত্রনায়ক ফারুকের সঙ্গে অবস্থান করছেন তার স্ত্রী ফারহানা ফারুক। কেমন আছেন এ চিত্রনায়ক এ প্রসঙ্গে সময় সংবাদকে ফারহানা বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, তোমাদের প্রিয় ফারুক ভাই ভালো আছেন। তার সুস্থতার জন্য তোমাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাচ্ছি। তিনি আরও বলেন,

বারবার গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমরা অস্থির হয়ে যাচ্ছি এসব গুজবের কারণে। কাল রাত থেকে অনেক ফোন পেয়েছি। রোজা রেখে আজ সকাল থেকেও অনেক ফোন রিসিভ করছি। দয়া করে গুজবে কান দেবেন না।  এর আগে গত বছরের ৮ এপ্রিল সন্ধ্যায়ও হঠাৎ চিত্রনায়ক ফারুকের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ঠিক এক বছর পর আবারও কিংবদন্তি এ অভিনেতার মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এতে চরম বিরক্ত তার পরিবার ও স্বজনরা। প্রায় পাঁচ দশক ধরে বড় পর্দা মাতিয়েছেন নায়ক ফারুক। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে ঢাকা-১৭ আসনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। ১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’তে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে ফারুকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। প্রথম সিনেমায় তার বিপরীতে ছিলেন মিষ্টি মেয়ে কবরী। এরপর ১৯৭৩ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র খান আতাউর রহমানের পরিচালনায় ‘আবার তোরা মানুষ হ’ ও ১৯৭৪ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার আলোর মিছিল এ দুটি সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ১৯৭৫ সালে তার অভিনীত 'সুজন সখী' ও 'লাঠিয়াল' সিনেমা দুটি ব্যাপক ব্যবসাসফল হয়। ওই বছর 'লাঠিয়াল'র জন্য তিনি সেরা-পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ১৯৭৬ সালে 'সূর্যগ্রহণ' ও 'নয়নমণি', ১৯৭৮ সালে শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত আবদুল্লাহ আল মামুনের 'সারেং বৌ', আমজাদ হোসেনের 'গোলাপী এখন ট্রেনে'সহ বেশকিছু সিনেমায় 'মিয়া ভাই'খ্যাত চিত্রনায়ক ফারুকের অভিনয় প্রশংসিত হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম